প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১১:৫৯ এএম
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১২:০৮ পিএম
ত্রাণবাহী ট্রাক থেকে মাল খালাস করছেন এক ব্যক্তি। ২১ অক্টোবর গাজার রাফা সীমান্তে। ছবি : সংগৃহীত
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সোমবার মিসরের রাফা ক্রসিং দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাকের আরও একটি বহর প্রবেশ করেছে। এ বহরে ছিল ২০টি ট্রাক। এর মধ্যে শনিবার (২১ অক্টোবর) থেকে গাজায় ঢুকল মোট ৫৪টি ট্রাক। এসব ট্রাকে খাদ্য, পানীয়, ওষুধ, কফিন, তাবুসহ অন্য নিত্যপণ্য থাকলেও নেই অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছেন, গাজার মোট হাসপাতালের অর্ধেকের বেশির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ এবং ওষুধ না থাকায় এসব হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। অবরুদ্ধ গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসত ইসরায়েল হয়ে। যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করায় তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজার প্রায় অর্ধেক বা ১০ লাখ মানুষ স্থানচ্যুত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার। উপত্যকাটির মোট জনসংখ্যা ২৩ থেকে ২৪ লাখ। এসব মানুষের জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য, পানীয় ও ওষুধ দরকার। তাদের প্রয়োজন মেটাতে গাজায় দৈনিক অন্তত ১০০ ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে পারা উচিত বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
সূত্র : মিডলইস্টআই, আলজাজিরা