প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:০৮ পিএম
আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৩ ১৬:০৭ পিএম
রাফা ক্রসিংয়ে অপেক্ষা করছে ত্রাণবাহী শত শত ট্রাক। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকার জন্য শুক্রবার (২০ অক্টোবর) ভোরে রাফা ক্রসিং উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছিল মিসর। কিন্তু রাফা সীমান্তে ইসরায়েল মুহুর্মুহু বোমা ফেলায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
মিসরের ফুড ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসেন সারহান বিবিসিকে বলেন, রাফা ক্রসিংয়ে প্রতি মুহূর্তে বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এ অবস্থায় সীমান্ত খোলা অসম্ভব। আমরা গাজায় ঢুকতে প্রস্তুত। কিন্তু ইসরায়েল বোমা হামলা চালাবে না, এমন নিশ্চয়তা না পেলে ক্রসিং খুলবে না মিসর সরকার।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) তেল-আবিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেন, মিসর ও ইসরায়েল রাফা ক্রসিং খুলতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার ভোরে মিসর থেকে ২০টি ট্রাক গাজায় ঢুকবে।
কিন্তু শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা পর্যন্ত রাফা ক্রসিং খুলেনি মিসর। ইতঃপূর্বে কায়রো জানায়, সীমান্ত খুলতে আরও সময় লাগতে পারে।
শোনা যাচ্ছে ইসরায়েলি বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সীমান্তবর্তী রাস্তা মেরামত করছে মিসর। তাই ক্রসিং খুলতে বিলম্ব হচ্ছে। কিন্তু কবে নাগাদ তা খোলা হতে পারে সে বিষয়েও নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে গাজায় দৈনিক ১০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকা দরকার। অন্যথায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে যে অভাব দেখা দিয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব হবে না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জরুরি বিভাগের পরিচালক মাইকেল রায়ান বলেন, গাজায় ত্রাণ নিয়ে ২০টি ট্রাক ঢোকা মহাসাগরে ঢিল ছোড়ার মতো। গাজায় কয়েক দিনের মধ্যে অন্তত ২ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকা দরকার।
৭ অক্টোবর ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর গাজায় ইতোমধ্যে প্রায় ১০ লাখ তথা উপত্যকাটির প্রায় অর্ধেক মানুষ স্থানচ্যুত হয়েছে। তাদের জরুরিভিত্তিতে সহায়তা দরকার।
সূত্র : এএফপি, আলজাজিরা