প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৩:৩৯ পিএম
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪:৫৮ পিএম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চলমান ৭৮তম অধিবেশনের এক পার্শ্ববৈঠক শেষে উজরা জেয়া (বাঁ থেকে দ্বিতীয়), প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। ছবি : এক্স
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি উজরা জেয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে উজরা জেয়া নিজেই এসব কথা জানিয়েছেন।
পোস্টে উজরা জেয়া লিখেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চলমান ৭৮তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ববৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে পেরে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। তার সঙ্গে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার গুরুত্ব নিয়ে আমার আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশীদারি নিয়ে। তা ছাড়া ৯ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গার প্রতি সহায়তা অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফর করেন উজরা জেয়া। তখন তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশে ‘শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচন হবে বলে আশা করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রেস ব্রিফিংয়ে এ নিয়ে প্রায় সময়ই কথা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন গত ২৪ মে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়তার লক্ষ্যে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেন। গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে এমন বর্তমান ও সাবেক বাংলাদেশি কর্মকর্তা, সরকার ও বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিচার বিভাগের সদস্য, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অর্থ হলো— ভোট কারচুপি, ভোটারকে ভয়ভীতি দেখানো, শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে বাধাদান, রাজনৈতিক দল, ভোটার, সুশীলসমাজ, মিডিয়াকে মতপ্রকাশে বাধা দেওয়া। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যের বিরুদ্ধেও ভিসানীতির প্রয়োগ হতে পারে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন। ৩ অক্টোবর লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় তার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সূত্র : উজরা জেয়ার এক্স অ্যাকাউন্ট