প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:৩৪ পিএম
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:০৬ পিএম
লিবিয়ার দেরনায় ঘূর্ণিঝড় দানিয়েল দ্বারা সৃষ্ট বন্যার ধ্বংসযজ্ঞ। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩। ছবি : সংগৃহীত
লিবিয়ায় আকস্মিক বন্যায় ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ১০ হাজার, আর বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তবে লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র তৌফিক শুকরী বলেন, ২ হাজার ৮৪ জন নিশ্চিতভাবে মারা গেছেন।
ঘূর্ণিঝড় দানিয়েলের আঘাতে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের দেরনা শহরের দুটি বাঁধ ভেঙে গেলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এতে শহরটির কোনো কোনো এলাকা প্রায় ১০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়।
লিবিয়ার আবহাওয়া দপ্তর ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ঝড়ের সময় সাগর থেকে অন্তত আট ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস আঘাত হেনেছে শহরটিতে।
মঙ্গলবার ত্রিপোলির প্রধানমন্ত্রী আবদুল হাবিদ দিবেইবাহ এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, একটি সরকারি বিমান দেরনা শহরের লোকজনের জন্য ১৪ টন খাবার, ওষুধ ও অন্য ত্রাণসামগ্রী এবং চিকিৎসকদের একটি দল আজই পাঠানো হচ্ছে।
যদিও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর দেরনায় প্রবেশ করতে এখনও অসুবিধা রয়েছে।
বেনগাজি শহরকে পূর্ব লিবিয়ার রাজধানী ঘোষণা করেছে বিদ্রোহী সরকার। তবে এ সরকার এখন পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ বা বৈশ্বিক কোনো স্বীকৃতি পায়নি। দেশটির মূল রাজধানী ত্রিপোলিতে আসীন সরকারই এখনও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ত্রিপোলি সরকার পূর্বাঞ্চলকে দুর্যোগপূর্ণ অঞ্চল ঘোষণা করেছে।
লিবিয়ার ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এ বন্যায় দেরনা শহর প্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণচিত্র পেতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।
সূত্র : আলজাজিরা।