প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:১৬ এএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৪৭ এএম
মালিতে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলা বাড়ছে। ছবি : সংগৃহীত
মালিতে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ও সামরিক ঘাঁটিতে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৯ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১৫ জন সেনাসদস্য।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী নৌকাটিতে হামলা চালায়। দেশটির সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরপর সেনাবাহিনীর পাল্টা হামলায় অন্তত ৫০ হামলাকারী নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
মালিতে সন্ত্রাস দমনে কাজ করছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ। তাদের দাবি, তারা সেখানে ইসলামিক সশস্ত্র বাহিনীর তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে। কিন্তু তাদের এ দাবি সত্ত্বেও সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে।
মালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর টিমবুকটু আগস্টের শেষের দিক থেকে অবরোধের মধ্যে রয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে গাড়িতেও বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে।
নাইজার নদীতে গাও শহর থেকে মোপ্তির দিকে যাওয়ার সময় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী বৃহস্পতিবার ওই নৌকাটিতে হামলা চালায়। পরে গাও অঞ্চলের বুরেম সার্কেলে একটি সেনা ক্যাম্পেও হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।
নৌকাটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোমানভ নামক সংস্থা জানিয়েছে, নৌকাটির ইঞ্জিন লক্ষ করে অন্তত তিনটি রকেট হামলা চালানো হয়েছে।
২০২০ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে থাকায় দেশটিতে ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকার কেইতার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভের পর জান্তা যখন ক্ষমতা দখল করে তখন তাদের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন ছিল।
সূত্র : বিবিসি, আলজাজিরা