× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সূর্যের উদ্দেশে রওনা দিল ভারতের আদিত্য-এল ১

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:৫৫ পিএম

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬:৩৬ পিএম

শনিবার সকালে শ্রীহরিকোটার লঞ্চপ্যাড থেকে যাত্রা করেছে ভারতের নভোযান আদিত্য-এল ১। ছবি : সংগৃহীত

শনিবার সকালে শ্রীহরিকোটার লঞ্চপ্যাড থেকে যাত্রা করেছে ভারতের নভোযান আদিত্য-এল ১। ছবি : সংগৃহীত

সূর্যের কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা করেছে ভারতের নভোযান আদিত্য-এল ১। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটা শহরের লঞ্চপ্যাড থেকে নভোযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৪ জুলাই এই শ্রীহরিকোটা লঞ্চপ্যাড থেকেই চাঁদের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল চন্দ্রযান-৩। যাত্রার পর ২৩ আগস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণে সক্ষম হয় নভোযানটি।

পৃথিবী থেকে উড়াল দেওয়ার পর ১৫ লাখ কিলোমিটার পর্যন্ত যাবে আদিত্য-এল ১। শতকরা হিসেবে যা পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের ১ শতাংশ পথ। পৃথিবী থেকে সূর্যের মোট দূরত্ব প্রায় ১৪ কোটি ৯৬ লাখ কিলোমিটার।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২৫ দিন বা চার মাসের মধ্যে সূর্যের কক্ষপথে পৌঁছাবে আদিত্য-এল ১। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এসব তথ্য জানিয়েছে।

নভোযানটি সূর্য আদিত্য নামেও পরিচিত। সূর্যের কক্ষপথের উদ্দেশে পাঠানো নভোযানটির নাম সূর্যের নামেই রাখা হয়েছে। আর এল ১ এর অর্থ হলো ল্যাগ্রঞ্জ পয়েন্ট ১। পৃথিবী থেকে রওনা হয়ে ১৫ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর যেখানে গিয়ে থামবে আদিত্য, সেই এলাকাটিকেই সূর্যের ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট বলে উল্লেখ করেছে ইসরো।

ইউরোপের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মতে, ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট হলো মহাবিশ্বের এমন একটি এলাকা যেখানে দুই বড় বস্তু, যেমন : সূর্য ও পৃথিবীর মহাকর্ষীয় শক্তি পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। আদিত্য-এল ১ যদি তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে তাহলে পৃথিবী যে গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, সেই একই গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হবে আদিত্য এল ১। এর মানে হলো স্যাটেলাইট পরিচালনার জন্য খুব কম জ্বালানির প্রয়োজন হবে। 

শনিবার সকালে কয়েক হাজার মানুষ আদিত্য-এল ১ এর রওনার দৃশ্য দেখার জন্য লঞ্চ সাইটের কাছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) দ্বারা সেট করা ভিউয়িং গ্যালারিতে জড়ো হয়েছিল।

ইসরো জানিয়েছে, মহাকাশযানটিকে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার একটি ‘হ্যালো’ কক্ষপথের এল-১ পয়েন্টে স্থাপন করা হবে। সংস্থাটির দাবি, এই পয়েন্ট থেকে সূর্য নিয়ে গবেষণা করা তুলনামূলক সহজ।

সূর্য অভিযানের বাজেট ধরা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭৮ কোটি রুপি। এর আগে ১৯৮১ সালে জাপান সূর্যের কক্ষপথে প্রথম নভোযান পাঠিয়েছিল। সেই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল সূর্যের আকার-আয়তন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নেওয়া।

জাপান নভোযান পাঠানোর পর ১৯৯০ সাল থেকে সূর্য অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) এবং ইউরোপের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নাসা ও ইএসএ যৌথভাবে সূর্যের কক্ষপথে একটি নভোযান পাঠাতে সক্ষম হয়।

সূত্র : বিবিসি



শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা