প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৩ ১৪:২৫ পিএম
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৩ ১৪:৩৬ পিএম
হিমাচলে পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত বাড়িঘর। ছবি : সংগৃহীত
ভারতের হিমাচল প্রদেশে ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যায় গত তিন দিনে অন্তত ৬০
জনের মৃত্যু হয়েছে। গত রবিবার থেকে প্রদেশের রাজধানী সিমলা সামার হিল, কৃষ্ণনগর ও ফাগলিতে
ভূমি ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সবশেষ বুধবারও (১৬ আগস্ট) সামার হিলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার
সন্ধ্যাতেও সিমলার কেন্দ্রস্থলে কৃষ্ণনগরে ৮টি বাড়ি ভেসে গেছে এবং ভূমিধসের ঘটনাও
ঘটেছে। এতে সেখানে ২ জন বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর
থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে সামার হিলের ধ্বংসাবশেষ
থেকে ১৩ জন, ফাগলি থেকে ৫ জন ও কৃষ্ণনগর থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোলান
জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধসে পড়া এক মন্দিরের ধ্বংসস্তূপে আরও বেশ
কয়েকজন চাপা পড়ার শঙ্কা রয়েছে। সেখানেও উদ্ধার চেষ্টা চলছে।
এ ছাড়া ভূমিধসের কারণে রাজ্যের অন্তত ৮০০ রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং
চলতি বর্ষাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং জানিয়েছেন, ৮০০ জনেরও বেশি মানুষকে
ঝুঁকিপূর্ণ নিচু এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
উদ্ধারকাজে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টারও ব্যবহার করছে।
এদিকে চরম আবহাওয়ার কারণে রাজ্যজুড়ে সব স্কুল-কলেজ ১৯ আগস্ট পর্যন্ত
বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, এ
সময় তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।
রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস পার্টি এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের
কাছে সাহায্য চেয়েছে এবং বলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত হিমাচল প্রদেশকে
একটি দুর্যোগ-বিধ্বস্ত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা।
সূত্র : এনডিটিভি