প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৩ ১৫:২৩ পিএম
আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৩ ১৫:৩৮ পিএম
এক সময় সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করেছিল আইএস। ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার পূর্বে ইরাকের সীমান্তবর্তীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশে
সেনাবহনকারী একটি বাসে বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) আইএসআইএলের (আইএস/আইএসআইএস) হামলার ঘটনায় নিহতের
সংখ্যা বেড়ে ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে ঘটনার পরই এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা সিরিয়ান
অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস ২৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছিল।
হামলার সময় মরূভূমির মাঝে সেনা বহনকারী দুইটি বাস অস্ত্রধারী আইএস
যোদ্ধারা অতর্কিত ঘিরে ধরে গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ সময় হামলাকারীরা ভারী অস্ত্র ও রকেটচালিত গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে। এতে ৩৩ জন নিহত ছাড়াও আরও অনেকে আহত হন।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সানা সেনাসূত্রের বরাতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে এটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
সংগঠনটি ২০১৯ সালে পরাজয়ের পরেও সিরিয়ার কিছু অংশে তাদের স্লিপার
সেল এখনও প্রায়ই মারাত্মক হামলা চালায়। তবে চলতি বছর আইএস পরিচালিত বেশ কয়েকটি ভয়াবহ
হামলা হয়েছে। এতে সংগঠনটি তাদের লক্ষ্যবস্তুতে বেসামরিক নাগরিক ও কুর্দি নেতৃত্বাধীন
যোদ্ধাদের পাশাপাশি সরকারি সেনা ও ইরানপন্থি যোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে অবজারভেটরির প্রধান আবদুর রহমান বলেন, ’আইএসআইএল সম্প্রতি
তার মারাত্মক সামরিক হামলা বাড়িয়েছে। তাদের লক্ষ্য যতটা সম্ভব মৃত্যু ঘটানো। এর মাধ্যমে
তারা একটি বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করছে যে গ্রুপটি এখনও সক্রিয় এবং তাদের নেতাদের টার্গেট
করা সত্ত্বেও।’
চলতি বছর তাদের পঞ্চম নেতা আবু হুসেইন আর-হুসাইনি আল-কুরেইশি নিহত
হয়েছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান গত এপ্রিলে জানিয়েছিলেন, তাদের
গোয়েন্দা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে আবু হুসেইন নিহত হয়েছেন।
গোষ্ঠীটি এ মাসে তাদের নতুন নেতা হিসেবে আবু হাফস আল-হাশিমি আল-কুরাশির
নাম ঘোষণা করেছে।
সূত্র : আরব নিউজ