প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৩ ১২:২০ পিএম
আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৩ ১৩:০৬ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আবারও বাংলাদেশের
সাম্প্রতিক ইস্যু ও নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ডেভিড মিলার বাংলাদেশ
সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। নির্বাচন ও দুর্নীতি সংক্রান্ত ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের
অবস্থান জানিয়েছেন।
একজন সাংবাদিক মিলারকে জানান, বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের
দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ চলছে। এরপর তিনি যে প্রশ্নটি
করেন, বিক্ষোভকারীরা সেখানে কী করছে এবং সে বিষয়ে মিলারের কোনো মন্তব্য আছে কিনা? একই
সঙ্গে প্রশ্নকারী বাংলাদেশের (গণতান্ত্রিক) পরিস্থিতি খুবই খারাপ বলে নিজের মতামত ব্যক্ত
করেন।
জবাবে মিলার বলেন, ‘আমরা অনেকবারই
স্পষ্ট করেছি, এমনকি এই মঞ্চ থেকেও আমরা বার বার স্পষ্ট করেছি যে বাংলাদেশে অবাধ ও
সুষ্ঠু নির্বাচনকে আমরা সমর্থন করি। আমরা তা প্রকাশ্যেই স্পষ্ট করেছি। আমরা বাংলাদেশ
সরকারের সঙ্গে আলাপকালেও বিষয়টি স্পষ্ট করেছি এবং আমাদের এই নীতি অব্যাহত থাকবে।’
পরে বাংলাদেশ সম্পর্কে আরেক প্রশ্নে মিলারকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের
পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈশ্বিক দুর্নীতিবিরোধী সমন্বয়কারী রিচার্ড নিফিউ সবে বাংলাদেশ সফর
শেষ করেছেন। সেখানে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তার বাংলাদেশ
সফরের সময় দেশটির ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার একটা আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদন
প্রকাশ করে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকে রিচার্ড নেফিউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন
যে, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞাকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।
আমার প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্র সরকার কি নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চায়, বিশেষ করে
যারা দুর্নীতি ও অর্থপাচারে জড়িত তাদের ওপর?
জবাবে মিলার বলেন, ‘এর আগে আমি
ভিন্ন একটি দেশের সম্পর্কে ভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলাম, আমরা কখনোই নিষেধাজ্ঞা
দেওয়ার আগে, নিষেধাজ্ঞার কথা জানাই না। সাধারণভাবে বলতে গেলে, নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতির
বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি হাতিয়ার হতে পারে। আমাদের হাতে অন্যান্য উপায়ও রয়েছে। যেমন-
সম্পদ জব্দ করা, অংশীদার দেশগুলোকে তথ্য দেওয়া -যাতে তারা মামলা করতে পারে। আমরা বাংলাদেশকে
উৎসাহিত করি যাতে তারা নিজেদের সীমানার মধ্যে (দেশের মধ্যেই) সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে
দুর্নীতিবাজদের নির্মূল করতে পারে।’
সূত্র : ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট