প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৩ ১১:৫৪ এএম
আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৩ ১২:০০ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। ছবি : সংগৃহীত
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে
বাংলাদেশের নির্বাচন, রাজনীতি সহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানাতে দেখা যাচ্ছে দপ্তর মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারকে। সবশেষ সোমবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া ডিজিটাল
নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) সংস্কারের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
সরকারের নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি দপ্তরের নিয়মিত
সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘যেমনটি আমরা
আগেই বলেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি সমালোচকদের গ্রেপ্তার, আটক ও চুপ করাতে ব্যবহার
করা হচ্ছিল।’
এর বদলে নতুন প্রস্তাবিত সাইবার সিকিউরিটি আইনের প্রতিও সজাগ দৃষ্টি
রাখবে যুক্তরাষ্ট, এমনটাই জানিয়েছেন মিলার। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে
উৎসাহিত করবো, যেন সংশ্লিষ্ট সবাই আইনটির খসড়া পর্যালোচনা করতে পারে এবং মতামত দিতে
পারে।’
দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত ও সমালোচিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’র (ডিএসএ) নাম বাদ দিয়ে বিষয়বস্তুতে বড়
ধরনের রদবদল এনে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’(সিএসএ) নামে নতুন একটি আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবারই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা
বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এদিকে অংশবিশেষ পরিবর্তন করে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনই নতুন নামে ফিরে এলে সেটি নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রশমিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, আগের আইনের অধিকাংশ ধারায় পরিবর্তন এনে বা বাতিল করে আরও শিথিলতা এনে নতুন নামে আইন প্রণয়ন করলে সবার মঙ্গল হতো।
নতুন ‘সাইবার নিরাপত্তা আইনে’ থাকছে মোট ৬০টি ধারা। এটি আগামী সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাসের জন্য উত্থাপন করা হবে। এতে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের’ই বহু ধারা যুক্ত করা হবে। কয়েকটি ধারায় আনা হচ্ছে বড় সংশোধনী। ২৯ ধারায় সাজা ছিল কারাদণ্ড। সেটাকে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এখানে শুধু শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা জরিমানা। অনাদায়ে হয় তিন মাস না হয়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড থাকবে। এই ধারা বলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না।
সূত্র : ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট