প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৩ ১৪:০৭ পিএম
আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৩ ১৪:২৪ পিএম
২০০৮ সালে জাপানে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। এর পরই কম জন্মহারের কারণে গত ১৪ বছর ধরে তা কমছেই। ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে বর্ধিত জনসংখ্যা
নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে সেখানে জাপানে কমেছে জনসংখ্যা। ২০২২ সালে সবমিলিয়ে ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে চালানো এক
জরিপে এমনটাই ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবারের (২৬ জুলাই) দেওয়া তথ্য মোতাবেক ২০২২ সালে জাপানে মৃত্যু হয়েছে
১৫ লাখ ৬০ হাজার মানুষের আর একই সময় জন্মগ্রহণ করেছে ৭ লাখ ৭১ হাজার শিশু। মৃত্যুর
তুলনায় নবজাতক জন্মেছে ৮ লাখেরও কম।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা জানায়, জনসংখ্যা হ্রাসকে সংকট বলে অভিহিত করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকরী পদক্ষেপ
নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। কিন্তু জাতীয় নীতিগুলো এখনও
জনসংখ্যা হ্রাস রোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
জাপানের বয়স্ক জনসংখ্যা সমাজের প্রতিটি দিক প্রভাবিত করছে।
সব পৌরসভার অর্ধেকেরও বেশি বয়স্ক মানুষ দিয়ে পূর্ণ। দেশটির স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেশটির ১২ লাখ ছোট ব্যবসার মালিকদের বয়স ৭০ বছর, অথচ তাদের কোনো উত্তরসূরি
নেই। ব্রডকাস্ট স্যাটেলাইট (বিএস) চ্যানেলের প্রোগ্রামগুলো পর্যন্ত বয়স্ক দর্শকদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
শিশু জন্মহারকে উৎসাহিত করতে জাপানে ১ এপ্রিল থেকে নতুন শিশু ও পরিবার এজেন্সি
চালু করা হয়েছে। শিশু যত্ন ও ভাতা দ্বিগুণ করে জিডিপির ৪% করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আনুমানিক ৩০০টি ছোট শহরে আরও
শিশুবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছে জাপান সরকার।
২০০৮ সালে জাপানে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
এরপরই কম জন্মহারের কারণে গত ১৪ বছর ধরে তা কমছেই।
শিশু জন্মহার হ্রাসের দিক দিয়ে তাইওয়ান জাপানের ঠিক নিচে রয়েছে। স্বশাসিত দ্বীপটিতে গড়ে প্রত্যেক নারী ১.২৪ শিশুর জন্ম দেয়। যেখানে প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ায় বিশ্বের সর্বনিম্ন জন্মহার মাত্র ০.৭৮ ।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান