প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৩ ০৯:৫৯ এএম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৩ ১০:১৭ এএম
গোলাগুলির স্থানে পুলিশ সদস্যরা। ৪ জুলাই পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায়। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনে গোলাগুলিতে ১০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩৮ জন। এ অবস্থায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার দাবি নতুন করে জোরদার হয়েছে দেশটিতে।
টেক্সাসের ফোর্ট ওয়ার্থ শহরে মঙ্গলবার, ৪ জুলাই এক ব্যক্তির গুলিতে তিনজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আটজন।
তার আগের দিন সোমবার পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় এক ব্যক্তির এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয় পাঁচজন। আহত হয় দুইজন। আহতদের তিনজন শিশু।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তি বুলেটরোধী জ্যাকেট পরা ছিল। ঘটনাস্থল থেকে একটি রাইফেল ও হ্যান্ডগান উদ্ধার করা হয়।
সোমবারের ঘটনার আগের দিন বাল্টিমোরে একটি পার্টিতে গোলাগুলির ঘটনায় দুই ব্যক্তি নিহত ও ২৮ জন আহত হয়। আহতদের অর্ধেকের বেশি শিশু।
রয়টার্স জানায়, উল্লিখিত তিন ঘটনায় হামলার কারণ জানা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলির ঘটনা এমনিতে বেশি। তবে সম্প্রতি তা বেড়েছে। এ অবস্থায় অস্ত্র আইন কঠোর করার দাবি বেড়েছে।
গান ভায়োলেন্স আর্কাইভ নামের একটি সংগঠনের তথ্যমতে, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৩৪০ এর বেশি গণগোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সংগঠনটি গণগোলাগুলি বলতে যে ঘটনায় অন্তত চারজন গুলিবিদ্ধ হয়, কেবল তাকে বোঝায়।
মঙ্গলবারের ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, আমাদের জাতি ফের আরেকটি নির্মম গোলাগুলির ঘটনার শিকার হয়েছে। আমরা চাই অস্ত্র আইন আরও কঠোর করা হোক। এ জন্য রিপাবলিকানদের সহযোগিতা কামনা করছি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে প্রাপ্তবয়স্কদের অস্ত্র রাখার অনুমতি রয়েছে। অন্যদিকে দেশটিতে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের লবিং অত্যন্ত শক্তিশালী। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিক উভয় পার্টিতে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের প্রভাব রয়েছে। ফলে দেশটির প্রেসিডেন্টের মতো শীর্ষ রাজনীতিবিদরা অস্ত্র আইন সংস্কার করতে চাইলেও পারেন না।
সূত্র : রয়টার্স