প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৩ ১৬:০০ পিএম
আপডেট : ২১ জুন ২০২৩ ১৮:৪৫ পিএম
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সমন্বয়কারী জন কিরবি। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশে
আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আকাঙ্ক্ষার কথা আগেই স্পষ্ট
করেছে। এমনকি নতুন ভিসানীতিও ঘোষণা করেছে দেশটি। বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে ভারতের কোনো ভূমিকা কি
যুক্তরাষ্ট্র চায়, এমন প্রশ্নই করা হয়েছিল হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের
সমন্বয়কারী জন কিরবিকে।
যুক্তরাষ্ট্র
সফরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাসঙ্গিকভাবেই মঙ্গলবার (২০ জুন)
ওয়াশিংটন ফরেন প্রেস সেন্টারে কিরবির ব্রিফিংয়ে এ ইস্যুই প্রাধান্য পায়।
বাংলাদেশের
প্রসঙ্গ এনে একজন সাংবাদিক কিরবিকে বলেন, ‘দেশটিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক
নির্বাচনকে সমর্থন জানাতে যুক্তরাষ্ট্র ভিসানীতি ঘোষণা করেছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম
গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতে দেশটি (ভারতে) কি যুক্তরাষ্ট্রের
প্রচেষ্টার পাশে থাকবে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে দেশটিতে (বাংলাদেশ) প্রহসনমূলক নির্বাচন হয়েছিল,
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে আমরা ভারতীয় প্রভাব দেখতে পেয়েছি।’
এর উত্তরে জন কিরবি ববলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে ভারত সরকারকে কথা বলতে দেব। তবে আপনি সঠিক—বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তার আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট করেছে। যারা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করবে, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভিসানীতি গ্রহণ করেছে। আমি কেবল আমাদের নিয়েই কথা বলতে পারি, আপনি জানেন আমরা কোথায় আছি।’
একই প্রশ্নের
আরেকটি অংশে প্রশ্নকারী জানতে চান, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরে আঞ্চলিক
গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হবে কি না, যেহেতু
মানবাধিকার বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির মূল উপাদান।
এর জবাবে
কিরবি বলেন, ’প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিশ্বজুড়ে যেখানেই যাক না কেন এবং যেই নেতাদের সঙ্গেই
তিনি কথা বলেন না কেন, তিনি মানবাধিকার নিয়ে তার উদ্বেগের কথা জানান। মানবাধিকার
এ প্রশাসনের বৈদেশিক নীতির মৌলিক উপাদান। সেই হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদির মতো বন্ধু
ও অংশীদারের সঙ্গে তিনি এ নিয়ে আলোচনা করতেই পারেন।’