ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৩ ১৩:৪৮ পিএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩ ১৩:৪৮ পিএম
সিন্ধুর কেতি বন্দর এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ১৩ জুন তোলা। ছবি: সংগৃহীত
আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) বিকালে ভারতের গুজরাট ও পাকিস্তানের সিন্ধু উপকূলে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে গুজরাটের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮০০ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জুন) রাতে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বিপর্যয় গুজরাটের কচ্ছ জেলার জাখাউ বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। তবে কচ্ছের পাশাপাশি রাজ্যটির সৌরাষ্ট্র জেলায়ও সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ঘূর্ণিঝড়টি কচ্ছ জেলার মান্ডবী ছুঁয়ে করাচির দিকে যাবে। ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। আর কেন্দ্রে তা থাকবে ১৫০ কিলোমিটারের মতো।
কিন্তু পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিওনিউজরে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিপর্যয় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত করাচি উপকূলে সরাসরি আঘাত হানার শঙ্কা ছিল। এখন তা নেই। কারণ তা কিছুটা গতিপদ বদলেছে। এখন ঘূর্ণিঝড়টি সিন্ধু প্রদেশের কেতি বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর। কেতি বন্দর এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (১২ জুন) থেকে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের কিছুটা শক্তিক্ষয় হয়েছে। বর্তমানে এটিকে শুধুমাত্র শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ক্যাটাগরিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, জিওনিউজ