প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩ ১৬:২৩ পিএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩ ১৬:৩১ পিএম
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত
সেনাবাহিনী ও সরকারের চাপে কোণঠাসা ইমরান এবার করলেন এক আবেগঘন টুইট।
যেখানে তিনি তুলে ধরেছেন, আইনকে কাজে লাগিয়ে বর্তমান সরকার কীভাবে বিরোধী মতকে হেনস্থা করছে।
বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ ও একসময় প্রধানমন্ত্রী বনে
যাওয়া ইমরান বৃহস্পতিবার (৮ জুন) রাতে দেওয়া টুইট বার্তায় বলেন, ‘আজ ক্রিকেটে
নয়, ২০টি মামলায় হাজিরা দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড ভেঙেছি, যা নতুন রেকর্ড।’
বার্তায় তিনি আরও জানান, বাদী (সরকার) পক্ষ তার বিরুদ্ধে হত্যা থেকে
সন্ত্রাস, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা কোনো কিছুই বাদ রাখেনি। অথচ তিনি যখন ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটির
হাতে বন্দি ছিলেন, তখনও তার ওপর ৯টি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছিল।
আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইমরান আরও বলেন,
‘সর্বদা আইনের
শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, আমার বিরুদ্ধে ১৫০টি মামলার একটিও যাতে আমি মিস না করি
তা নিশ্চিত করার জন্য আমি অবিরাম ছুটে চলেছি। দুর্ভাগ্যবশত এটি আমাদের আইনি ব্যবস্থার
বিরুদ্ধে একটি ভয়ানক অভিযোগও বটে, যেখানে বিরোধীদের শিকার করার জন্য আইনের অপব্যবহার
করা যেতে পারে। মুক্ত ও গণতান্ত্রিক সমাজে নাগরিকের মৌলিক অধিকারের এমন লঙ্ঘন অকল্পনীয়।’
তার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তিনি দায় দিয়েছেন সরকারকে। ইমরান খান বরাবরের
মতোই এবারের টুইট বার্তায়ও শেহবাজ শরিফ সরকারকে আমদানি করা সরকার হিসেবে অভিহিত করে
তাদের এই ফ্যাসিবাদী আচরণের কারণ হিসেবে বলেন, তারা পিটিআইয়ের কাছে নির্বাচনে হেরে
যাওয়ার ভয় পেয়েছে।
ইমরানের এই টুইটটি এখন পর্যন্ত ৪২ হাজারের বেশি রিটুইট হয়েছে এবং
৯৭ হাজারের বেশি লাইক পড়েছে।
গত ৯ মে আদালত চত্বর থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী পাকিস্তান রেঞ্জার্স। এরপর ইনি ন্যাবের হাতে আটক ছিলেন। তাকে আটকের ঘটনায় সে সময় দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এমনকি ক্যান্টনমেন্টের মতো সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ইমরানকে জামিন দিলে তিনি ছাড়া পান।