আবায়া পড়তে নিষেধ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩ ১০:৫৭ এএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩ ১১:৪৬ এএম
প্রতীকী ছবি
ছাত্রীদের আবায়া পরতে নিষেধ করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হুমকির পরে ক্ষমা চেয়েছেন ভারত অধিকৃত কাশ্মিরের শ্রীনগরের একটি স্কুলের অধ্যক্ষ।
বিশ্বভারতী সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কিছু মেয়ে ছাত্রীকে স্কুলের অভ্যন্তরে আবায়া (লম্বা পোশাক) পরতে বারণ করেছিলেন, যদিও তিনি তাদের ইউনিফর্মের অংশ হিসেবে হিজাব (হেডস্কার্ফ) পরতে বাধা দেননি।
কিন্তু কিছু ছাত্রী ড্রেস কোড মেনে আবায়া বাদ দিতে অস্বীকার করে বিক্ষোভ শুরু করে। ওই বিক্ষোভ শুক্রবারও (৯ জুন) চলছে বলে জানা গেছে।
তারা অধ্যক্ষকে ড্রেস কোড জারি করার জন্য অভিযুক্ত করে বলেছে, ‘এটি তাদের ধর্মীয় রীতির বিরুদ্ধে যায়।’
ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেছে, অধ্যক্ষ তাদের বলেছিলেন তারা আবায়া পরতে চাইলে তাদের মাদ্রাসায় যোগ দিতে হবে।
যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ।
এই আবায়া ইস্যুকে কর্ণাটকে হিজাব নিষিদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে রাজনৈতিক নেতারা স্কুল কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন।
অধ্যক্ষ স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছেন যে, স্কুলের বেশিরভাগ ছাত্রীই হিজাব পরে। তিনি কেবল আবায়া পরতে মানা করেছিলেন।
এর কিছুক্ষণ পরই একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এক বিবৃতি জারি করে প্রিন্সিপালকে টার্গেট করার হুমকি দেয়।
সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অধ্যক্ষকে ডানপন্থি অনুগামী বলে অভিযুক্ত করে।
এরপর সন্ধ্যায় ওই অধ্যক্ষ ছাত্র ও অভিভাবকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের জন্য ক্ষমা চেয়ে একটি বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে আজকের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদি এতে কোনোভাবে শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকে, আমি তার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আবায়া পরতে পারবে এবং শ্রেণিকক্ষে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি।’
সূত্র : এনডিটিভি