প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৩ ১০:১৬ এএম
আপডেট : ০৫ জুন ২০২৩ ১০:৪৭ এএম
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকে ভুয়া নথিপত্রসহ চার বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ। প্রতীকী ছবি
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট শহর থেকে ভুয়া নথিপত্রসহ চার বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ। রবিবার (৪ জুন) মিরাটের সিনিয়র পুলিশ সুপার রোহিত সিং সাজওয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, সুপার রোহিত সিং সাজওয়ান বলেছেন সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের (এটিএস) তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৩ জুন) মিটারের ধীরখেড়ায় হাপুড়-মিরাট রোড থেকে ওই অভিযুক্ত চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম সজীব খান, মো. মন্টু খান, মো. মজিদুল খান ও মোজ্জেম খান। এটিএসের ফিল্ড ইউনিটের ইন্সপেক্টর ধর্মেন্দ্র সিং যাদব এসব ব্যক্তির নাম নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তরা মিরাটের খারখোদা জেলায় একটি জুতার দোকানে কাজ করতেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ধর্মেন্দ্র সিং যাদবের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের থেকে চারটি ভুয়া আধার কার্ড, পাঁচটি এটিএম কার্ড, দুটি পিএএন কার্ড ও দুটি ব্যাংকের চেকবই জব্দ করা হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে ভারতের ফরেনার্স অ্যাক্ট ও পেনাল কোডের অন্য সেকশনের অধীনে মামলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের এক দম্পতিকে ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি কারাগারে কাটাতে হয়েছে ৩০১ দিন। সঙ্গে ছিল তাদের দুই বছরের এক সন্তান। অবশেষে ২৪ মে তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
পলাশ ও শুক্লা অধিকারী নামে ওই দম্পতি কাজের সন্ধানে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু যান। বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ২০২২ সালের জুলাইয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ। ফরেনার্স অ্যাক্টের অধীনে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, গ্রেপ্তারের পর থেকে নিজেরা পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা বলে পুলিশকে বিভিন্নভাবে বোঝাতে চেষ্টা করেন পলাশ ও শুক্লা অধিকারী। কিন্তু পুশিলকে তা বোঝাতে ব্যর্থ হন।
তথ্যমতে, পলাশ ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার ঝাউগ্রামের তেলেপুকুরের বাসিন্দা। সেখানেই তাদের আদিনিবাস। পেশায় তারা শ্রমিক।
নিজেদের বারবার ভারতীয় দাবি করায় সম্প্রতি বেঙ্গালুরু পুলিশের একটি দল পশ্চিমবঙ্গ সফর করে। তদন্ত করে তারা পলাশ ও শুক্লা অধিকারীর দাবির সত্যতা পায়।
সূত্র : এনডিটিভি