প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৩ ১৮:০২ পিএম
আপডেট : ০৫ জুন ২০২৩ ০৯:৫৬ এএম
পলাশ ও শুক্লা অধিকারী দম্পতি। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের এক দম্পতিকে ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি কারাগারে কাটাতে হয়েছে ৩০১ দিন। সঙ্গে ছিল তাদের দুই বছরের এক সন্তান। অবশেষে ২৪ মে তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
জানা গেছে, পলাশ ও শুক্লা অধিকারী নামের ওই দম্পতি কাজের সন্ধানে ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুয় যান। বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ২০২২ সালের জুলাইয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ। ফরেনার্স অ্যাক্টের অধীনে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, গ্রেপ্তারের পর থেকে নিজেরা পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা বলে পুলিশকে বিভিন্নভাবে বোঝাতে চেষ্টা করেন পলাশ ও শুক্লা অধিকারী দম্পতি। কিন্তু পুশিলকে তা বোঝাতে তারা ব্যর্থ হন।
তথ্যমতে, পলাশ ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার ঝাউগ্রামের তেলেপুকুরের বাসিন্দা। সেখানেই তাদের আদি নিবাস। পেশায় তারা শ্রমিক।
নিজেদের বারবার ভারতীয় দাবি করায় সম্প্রতি বেঙ্গালুরু পুলিশের একটি দল পশ্চিমবঙ্গ সফর করে। তদন্ত করে তারা পলাশ ও শুক্লা অধিকারীর দাবির সত্যতা পান।
ইতোমধ্যে পলাশ ও শুক্লা অধিকারীর আত্মীয়রা একজন আইনজীবী নিয়োগ করেন। ২৮ এপ্রিল তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু বন্ড দিতে না পারায় মুক্তি পেতে তাদের ২৪ মে পর্যন্ত কারাগারে কাটাতে হয়।
পলাশের বোন সাথী অধিকারী টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ২৪ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমি একটা কল পাই। দাদা ও বৌদির জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার খবর পাই। আমি তাদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলি। আমার মাও তাদের সঙ্গে কথা বলেন। মা তাদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
তাদের মামলা চালাতে গিয়ে নিজের সব অর্থ শেষ হয়ে যায় বলেও জানান পেশায় পার্লার কর্মী সাথী।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া