প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৩ ১৫:১৫ পিএম
আপডেট : ৩১ মে ২০২৩ ১৫:৩৭ পিএম
খার্তুমের কয়েকটি অবস্থান পরিদর্শনের সময় সেনাদের সঙ্গে উল্লাস করছেন সুদানের সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান। ছবি : আলজাজিরা
যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সাহায্যের প্রবেশাধিকার নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ স্থগিত করেছে সুদানের সেনাবাহিনী।
সুদানের একটি কূটনৈতিক সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, আলোচনায় অংশগ্রহণ স্থগিত করায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। ওই যুদ্ধ হাজার হাজার মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
প্রতিদ্বন্দ্বী আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) সঙ্গে আলোচনা মে মাসের প্রথম দিকে সৌদি আরবের বন্দর শহর জেদ্দায় শুরু হয়েছিল।
ওই আলোচনা থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি এবং দুটি স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা এসেছিল।
সোমবার যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঠিক আগে সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত সুদানের রাজধানী খার্তুমে মঙ্গলবার তীব্র সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।
বাসিন্দারা নীল নদের সঙ্গমস্থলের চারপাশে সুদানের খার্তুম, ওমদুরমান এবং খার্তুম উত্তরের পার্শ্ববর্তী তিনটি শহরেই তীব্র লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন।
আল জাজিরার মোহাম্মদ ভাল জানিয়েছেন, সুদান সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি স্থগিত করা কয়েক সপ্তাহের হতাশার চূড়ান্ত পরিণতি।
তিনি বলেন, ‘আরএসএফ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। তাই এই যুদ্ধবিরতির কোন অর্থ নেই। আমাদের এখনো সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আরো ভালভাবে শুনতে হবে। জেদ্দায় আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল লঙ্ঘন বন্ধ করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের তাদের জীবন পুনর্গঠনে সহায়তা করা। কিন্তু সেটা এখনো হয়নি।’
সুদানের ওই যুদ্ধে যুদ্ধ প্রায় ১৪ লাখ মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।
যাদের মধ্যে ৩ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাড়ি জমিয়েছে।
রাজধানীর এলাকাগুলো ব্যাপক লুটপাটের শিকার হয়েছে এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। বেশিরভাগ হাসপাতালেই পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালে একটি জনপ্রিয় বিদ্রোহের সময় দেশটির সাবেক নেতা ওমর আল-বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের নেতারা সুদানের শাসক পরিষদে শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
সূত্র : আলজাজিরা