× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, কোন দেশে কেমন

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৩ ১৯:৪৬ পিএম

আপডেট : ৩০ মে ২০২৩ ২০:৫৪ পিএম

নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র যে নতুন ভিসানীতি বাংলাদেশের জন্য ঘোষণা করল, তা নতুন কিছু নয়। একই ভিসানীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল আফ্রিকার তিন দেশ নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও উগান্ডাতে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র যে নতুন ভিসানীতি বাংলাদেশের জন্য ঘোষণা করল, তা নতুন কিছু নয়। একই ভিসানীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল আফ্রিকার তিন দেশ নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও উগান্ডাতে।

বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন গত ২৪ মে নতুন ভিসানীতির ঘোষণা করেছিলেন। এক টুইটবার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বাধা দিলে তিনি ভিসা সীমাবদ্ধতার আওতায় পড়বেন।

একই দিনে ঢাকাকেন্দ্রিক এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু নিশ্চিত করেছিলেন, যে বা যারা নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের সহধর্মিণী ও সন্তানরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ হারাবে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র যে নতুন ভিসানীতি বাংলাদেশের জন্য ঘোষণা করল, তা ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য নতুন কিছু নয়। একই ভিসানীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল আফ্রিকার তিন দেশ নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও উগান্ডাতে।

এক্ষেত্রে দেখা গেছে, নির্বাচনকে ঘিরে নাইজেরিয়া ও উগান্ডাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ভিসা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব খুব একটা পড়েনি।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইউরি মুসেভেনি 

এদিকে নির্বাচন ইস্যুতে কাজ না হলেও উগান্ডার সমকামী অধিকার প্রশ্নে একই পথে আবারও হেঁটেছে যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সোমবার (২৯ মে) জানিয়েছেন, উগান্ডা যদি সমকামী-বিরোধী আইন করে তবে এর সঙ্গে জড়িতরা ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে যাচ্ছেন। এবারও মনে হচ্ছে না উগান্ডা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে। কারণ দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউরি মুসেভেনি সমকামী-বিরোধী বিলে এরই মধ্যে স্বাক্ষর করে ফেলেছেন।

১৯৮৬ সাল থেকে দেশটির ক্ষমতায় রয়েছেন ইউরি মুসেভেনি, একই সঙ্গে তিনি দেশটির সেনাপ্রধানও। ২০২১ সালের নির্বাচনেও আমেরিকা ভিসাসংক্রান্ত বিধি-নিষেধ আরোপ করে, এতে অবশ্য কোনো কাজ হয়নি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইউরিই রয়ে গেছেন।

এর আগে ২০১৯ সালে নাইজেরিয়ার জাতীয় নির্বাচনের এক মাস আগে বাংলাদেশের মতো নাইজেরিয়াতেও ভিসানীতি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু গতানুগতিক নির্বাচনই দেশটিতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপ ও কারচুপিতে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে বেশ কয়েকজনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞাও দেয়। কিন্তু কাদের ওপর এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, তা গোপনীয়তার দোহাই দিয়ে প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু নাম ছড়িয়ে পড়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস নিজেই গুজব বলে উড়িয়ে দেয়।

এ ছাড়াও বিবিসি নাইজেরিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যক্তির জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, নাইজেরিয়ার জন্য নয়। নাইজেরিয়া ও বিশ্বের বাকি সব দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র।

নাইজেরিয়াতে ২০২৩-এর নির্বাচনেও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে

এরপরেও ২০২৩ সালের নির্বাচনেও নাইজেরিয়াতে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সহিংসতায় উস্কানি দিতে দেখা গেছে। যদিও এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র কাউকে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। গতবারের মতো এবারও একই কথা প্রযোজ্য, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হতে পারে, তাই এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে না যুক্তরাষ্ট্র।    

আফ্রিকার দেশগুলোতে একমাত্র ভিসানীতি কাজ করেছে সোমালিয়াতে। এর কারণ হিসেবে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত নাগরিক, আবার অনেকে দেশটির ইমিগ্র্যান্টও। সোমালিয়ার মানুষও এই নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছিল, কারণ দেশটির নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করার মতো যথেষ্ঠ শক্তিশালী নয়।

 

সূত্র : বিবিসি/রয়টার্স 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা