প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৬:৩৪ পিএম
বুধবার নিউইয়র্কে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের তেলআবিব থেকে ব্রিটিশ দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের লিজ ট্রাস। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্রের বরাতে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলে ব্রিটিশ দূতাবাসের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তাদের পর্যালোচনা লিজ ট্রাস ইয়ার লাপিদকে জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে বৃহস্পতিবারও কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলের সরকার।
কয়েক দশক ধরে ব্রিটিশ দূতাবাস তেলআবিবে রয়েছে। যদিও ইসরায়েল তাদের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে ঘোষণা করেছে। তবে ফিলিস্তিনিরাও এই প্রাচীন শহরকে তাদের রাজধানীকে হিসেবে বিবেচনা করে।
এর আগে ২০১৭ সালে ইসলায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমের নাম ঘোষণা করে ২০১৮ সালে সেখানে দূতাবাস উদ্বোধন করে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানায় ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)।
ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পদক্ষেপের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনি নাগরিক বিক্ষোভ করেন। ওই বিক্ষোভে দখলদার বাহিনী গুলিতে অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হন।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে বৃহস্পতিবার জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে লিজ ট্রাসের কাছে ইয়ার লাপিদ তার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দূতাবাস স্থানান্তর করবেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাস প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ইসরায়েলের রক্ষণশীল নেতাদের কাছে লেখা চিঠিতে বলেছিলেন, তিনি দূতাবাস স্থানান্তরের বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন। ওই স্থানের গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা তিনি বোঝেন বলেও উল্লেখ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে দেশটির কোনো প্রেসিডেন্ট এমন সিদ্ধান্ত নেননি। এর আগে ওয়াশিংটনের নীতি ছিল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে।
প্রবা/এইচকে