প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৩ ১৩:২৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। ছবি : আলজাজিরা
ইউক্রেনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান হস্তান্তর করলে ইউক্রেন সংঘাতে ন্যাটোর সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আনাতোলি আন্তোনোভ।
সোমবার (২২ মে) দূতাবাসের টেলিগ্রাম বার্তা চ্যানেলে প্রকাশিত মন্তব্যে আন্তোনভ বলেন, ‘ইউক্রেনে এফ-১৬ পরিচালনার জন্য কোনো অবকাঠামো নেই এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাইলট ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নেই। ন্যাটো বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা ওই যুদ্ধবিমান উড়লে এর অর্থ কি দাঁড়াবে?’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েক মাস ধরে দেশটির পশ্চিমা মিত্রদেরকে উন্নত ফাইটার জেট সরবরাহ করার জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
কিন্তু, পশ্চিমা শক্তি তার ওই আহ্বানকে পাশ কাটিয়ে গেছে।
এদিকে, জাপানের হিরোশিমায় সদ্য সমাপ্ত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আগে জেলেনস্কির কূটনীতির প্রচেষ্টার মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছেন যে, ইউক্রেনের সমর্থনের জন্য তারা যুদ্ধবিমান সরবরাহের জন্য একটি ‘আন্তর্জাতিক জোট’ গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছেন। ।
তার পর শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের পাইলটদের জন্য এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুমোদন করেন।
জেলেনস্কি বাইডেনকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালাতে ব্যবহার করা হবে না এফ-১৬।
সপ্তাহান্তে রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রুশকো হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, পশ্চিমা দেশগুলো যদি এফ-১৬ সরবরাহের বিষয়ে এগিয়ে যায়, তবে যুদ্ধের ক্ষেত্রে তারা ‘বিশাল ঝুঁকি’ বাড়াবে।
আন্তোনভ আরও বলেছেন, ‘ক্রিমিয়াতে ইউক্রেনের যে কোনো আক্রমণ রাশিয়ার উপর আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি সচেতন করা হবে।’
সূত্র : আলজাজিরা