প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৩ ০৯:৫১ এএম
আপডেট : ২০ মে ২০২৩ ১০:৪৩ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্ররা ইউক্রেনকে
এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও বিমানগুলো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র
নাও দিতে পারে। তবে ইউক্রেনীয় পাইলটদের এফ-১৬ চালানোয় প্রশিক্ষণ দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
আর কোনো পশ্চিমা দেশ ইউক্রেনকে এফ-১৬ দিতে চাইলেও বাধা দেবে না ওয়াশিংটন। বাইডেন প্রশাসনের
একজন সিনিয়র কর্মকর্তা শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা
মিত্রদের কাছে এফ ১৬-এর মতো আধুনিক যুদ্ধবিমান চেয়ে আসছে ইউক্রেন। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র
এ বিষয়ে অপারগতা জানালেও এখন পূর্বের অবস্থান থেকে সরে এসেছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্র ও
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেওয়া এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট
ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধবিমান আমাদের সেনাদের আকাশ সক্ষমতা ব্যাপকভাবে
বাড়িয়ে দেবে।
তবে ইউক্রেন কবে নাগাদ এই যুদ্ধবিমানগুলো
পাবে এবং কোন দেশ সেগুলো সরবরাহ করবে তা এখনও অস্পষ্ট। ইউক্রেনীয় সেনাদের এফ ১৬-এ অভ্যস্ত
করা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, এতে দরকার যথাযথ প্রশিক্ষণ। পেন্টাগনের শীর্ষকর্তা
কলিন কাহল, এর আগে কংগ্রেসকে জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনীয় সেনাদের এফ-১৬ বিমান চালনায় প্রশিক্ষণ
দিতে ১৮ মাস লাগতে পারে।
এদিকে বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারাও
নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন পাল্টা হামলায় বিমানগুলো ব্যবহার করা হবে না।
সামনের মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সিদ্ধান্ত নেবে কয়টি এফ-১৬ ইউক্রেনকে
দেওয়া হবে, কোন কোন দেশ বিমানগুলো সরবরাহ করবে এবং কখন সেগুলো দেওয়া হবে। তবে ইউক্রেনীয়
সেনাদের প্রশিক্ষণ সামনের সপ্তাহ থেকেই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে জাপানের হিরোশিমা শহরে জি-৭ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শিল্পোন্নত দেশের নেতাদের জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনকে এফ-১৬ বিমান দেওয়া সমর্থন করবে তার দেশ। রবিবার প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিরও জি-৭ সম্মেলনে যোগদানের কথা রয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনকে এফ-১৬ সরবরাহের বিষয়টি বাতিল করেছিলেন বাইডেন।
সূত্র : আল জাজিরা/এনবিসি