প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৩ ০৯:৫৫ এএম
আপডেট : ১৯ মে ২০২৩ ১০:৫২ এএম
হিরোশিমায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। ছবি : সংগৃহীত
জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের উপস্থিতিতে
শুক্রবার (১৯ মে) জাপানের শহর হিরোশিমায় শুরু হয়েছে সম্মেলন। এরই মধ্যে স্ব স্ব দেশের
নেতারা শহরটিতে উপস্থিত হয়েছেন। অধিকাংশ নেতাই সম্মেলনের আগের দিন বৃহস্পতিবারই শহরটিতে
চলে এসেছিলেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা দেশগুলোর নেতাদের শহরটিতে স্বাগত জানিয়েছেন।
আয়োজনকারী দেশের প্রতিনিধি হিসেবে জাপানের
প্রধানমন্ত্রীসহ এ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইতালির
প্রধানমন্ত্রী জর্জিও মেলোনি, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
ইম্যানুয়েল মাখোঁ, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ
শলৎজ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মাইকেল ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলয়া ভন ডার লেইন।
জি-৭
ভুক্ত দেশের বাইরে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কমোরোস, কক আইল্যান্ড, ভারত, ইন্দোনেশিয়া,
কোরিয়া ও ভিয়েতনামকেও এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এসব দেশের প্রতিনিধিরা এরই
মধ্যে হিরোশিমায় উপস্থিত হয়েছেন। এ দেশগুলোর বাইরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির
জেলেনস্কির রবিবার সম্মেলনে যোগদানের কথা রয়েছে। তবে রাশিয়া ও চীনকে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
এ
ছাড়া জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ), আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ),
অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান (ওইসিডি), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও),
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাও (ডব্লিউটিও) এ সম্মেলনে যোগ দিয়েছে।
এবারের
সম্মেলনে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ও ইউক্রেনে চলমান রাশিয়ার সামরিক
অভিযান। জি ৭-এর হিরোশিমা সম্মেলনের ওয়েবসাইটে রাশিয়ার অভিযানকে আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ
করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছে। আলোচ্যসূচিতে রাশিয়ার ওপর
নতুন নিষেধাজ্ঞা ও ইউক্রেনের জন্য আরও কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো যায়, তা অন্তর্ভুক্ত
থাকবে।
সম্মেলনটি
অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিরোশিমার গ্র্যান্ড পিস হোটেলে। আর হিরোশিমা হলো পৃথিবীর প্রথম শহর,
যেখানে পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে শহরটিতে ‘লিটল বয়’ নামক
পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র, ফলে শহরটির প্রায় দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু
হয়।
সূত্র
: জি-৭ হিরোশিমা সম্মেলনবিষয়ক ওয়েবসাইট