প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৩ ১৮:২০ পিএম
আপডেট : ১৭ মে ২০২৩ ১৮:৩২ পিএম
ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি। ছবি : সংগৃহীত
দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগে ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে ২০২১ সালে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল৷ তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন।
বুধবার (১৭ মে) আগের রায় বহাল রাখার রায় দিয়েছে দেশটির আপিল আদালত৷
২০২১ সালের রায়ে তিন বছর কারাদণ্ডের মধ্যে দুই বছর কারাদণ্ড স্থগিত থাকবে৷
দণ্ডাদেশের বাকি এক বছর সারকোজি চাইলে বাড়িতে হাতে ইলেকট্রনিক ব্রেসলেট পরে কাটাতে পারেন বলে আপিল আদালত বুধবার রায় দিয়েছে৷
রায় শোনার পর আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সারকোজি কোনো মন্তব্য করেননি৷
তবে তার আইনজীবী জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধেও ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আপিল আদালতে আপিল করা হবে৷
২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন সারকোজি৷ সারকোজির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আনা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে যে তদন্ত হচ্ছে তার তথ্য পেতে ম্যাজিস্ট্রেট জিলব্যার আজিব্যারকে ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন৷
ঘুষ হিসেবে জিলব্যারকে মোনাকোয় একটি উচ্চ বেতনের চাকরি পেতে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল৷
প্রায় এক দশক তদন্তের পর ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল প্রসিকিউটর্স অফিস গত সপ্তাহে জানিয়েছে, তারা সারকোজির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন করবে৷
২০০৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের সময় সারকোজি লিবিয়ার নেতা গাদ্দাফির কাছ থেকে কয়েক মিলিয়ন ইউরো নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে৷
এ ছাড়া ২০১২ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দিষ্ট সীমার দ্বিগুণ খরচ করায় সারকোজিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়৷ এর বিরুদ্ধেও আপিল করেছেন সারকোজি৷ এ বছরের নভেম্বরে সেই বিচার প্রক্রিয়া আবার শুরু হবে৷
ফ্রান্সের ইতিহাসে সাবেক কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এটাই প্রথম নয়৷
সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ২০১১ সালে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন৷
সূত্র : আল-জাজিরা