প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:২৬ পিএম
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:৫৭ পিএম
রানীর কফিন নিয়ে শোকমিছিল চলেছে উইন্ডসরের পথে।
প্রয়াত ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের কফিন নিয়ে আরেকটি শোকমিছিল যাত্রা করেছে উইন্ডসরের পথে। এটি আগেরটির চেয়ে অনেক বড়, পাড়িও দেবে দীর্ঘপথ। এ শোকমিছিলে আছে মোট সাতটি গ্রুপ। এবার শোকমিছিলের পেছনে একটি গাড়িতে যাচ্ছেন কুইন কনসোর্ট ক্যামিলা এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথারিন।
তাদের সামনে আছেন রাজা চার্লস এবং রাজপরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা। তারা কফিনের পেছনে হাঁটছেন।
দ্বিতীয় একটি গাড়িতে করে যাচ্ছেন ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল এবং কাউন্টেস অব ওয়েসেক্স সোফি। শোকমিছিলের একেবারে সামনে আছে রাজকীয় ক্যানাডীয় মাউন্টেড পুলিশের দল।
রানীর কফিনের দুপাশে আছেন কফিন বহনকারীদের দল এবং দেহরক্ষীরা।
যেসব রাষ্ট্রনেতা শেষকৃত্যানুষ্ঠানে এসেছিলেন, এখন তারা ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলির দেওয়া এক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছেন।
রানীর কফিন নিয়ে দীর্ঘ শোকমিছিল লন্ডনের দুটি রাজকীয় পার্কের মাঝখান দিয়ে ওয়েলিংটন আর্চের দিকে রওনা হয়েছে।
এরপর শোকমিছিল বাকিংহাম প্রাসাদ অতিক্রম করে।
বাকিংহাম প্রাসাদে আছে ৭৭৫টি কক্ষ। বিশ্বখ্যাত এই প্রাসাদে থেকেই রানী তার রাজকার্য পরিচালনা করতেন। এখানেই তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে আসা বিশ্বনেতাদের জন্য অনুষ্ঠান এবং ভোজের আয়োজন করতেন।
তবে একই সঙ্গে এটি ছিল ৬৭ বছর ধরে রানীর প্রধান পারিবারিক নিবাস। সিংহাসনের অভিষেক হওয়ার পর থেকে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারি পর্যন্ত মূলত এখানেই রানী থাকতেন।
এ প্রাসাদেই তিনি সন্তানের মা হয়েছেন, এখানেই তার বড় ছেলে চার্লস এবং দুই ছোট ছেলে এনড্রু ও এডওয়ার্ডের জন্ম।
মৃত্যুর পর গত সপ্তাহে তার মরদেহ এ প্রাসাদে এনে এক দিন শায়িত রাখা হয়েছিল।
অবশেষে ৪৫ মিনিট যাত্রার পর রানীর কফিন নিয়ে শোকমিছিল ওয়েলিংটন আর্চে পৌঁছে। এটি লন্ডনের বিখ্যাত স্থাপনাগুলোর একটি। এর ওপরে স্থাপন করা শান্তির দূতের ভাস্কর্যটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য।
ওয়েলিংটন আর্চে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রানীর কফিন তোলা হয়েছে রাষ্ট্রীয় শবযানে। গ্রেনেডিয়ের গার্ড বাহিনীর সদস্যরা রানীর কফিন তুলে এই শবযানে রেখেছেন। এ গাড়িটি এখন রওনা হয়েছে উইন্ডসর প্রাসাদের দিকে। স্থানীয় সময় বেলা ৩টা নাগাদ এটি উইন্ডসরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাস্তার দুপাশে রানীর শবযান দেখার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রবা/জিজি/এমআই