প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৩ ১৬:২০ পিএম
আপডেট : ১০ মে ২০২৩ ১৬:৫৩ পিএম
কর্পস কমান্ডারের বাড়ি থেকে ময়ূর লুটের মতো ঘটনা নজিরবিহীন। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইমরান খানকে রেঞ্জার্সরা মঙ্গলবার
(৯ মে) গ্রেপ্তার করলে পুরো দেশে মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নজিরবিহীনভাবে পিটিআই
কর্মীদের আক্রোশের শিকার হয়েছে সেনা স্থাপনা। লাহোরে অবস্থিত ফোর্থ কর্পসের কমান্ডারের
বাসায় হামলা চালান পিটিআই কর্মীরা। এ সময় সেনা কর্মকর্তার বাড়ির আসবাবে অগ্নিসংযোগ
করা হয়। এমনকি কর্পস কমান্ডারের ময়ূর পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা লুট করে নিয়ে গেছেন।
পাকিস্তানের সাংবাদিক আসাদ আলি তুর ভয়েস অব আমেরিকার একটি ভিডিও শেয়ার
দিয়েছেন। যেখানে দেখা গেছে কর্পস কমান্ডারের বাসায় প্রবেশ করা এক ব্যক্তি সেখানে থাকা
একটি ময়ূর নিয়ে এসেছেন। মাস্ক পরিহিত সেই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
তবে সেই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, কর্পস কমান্ডার আমাদের অর্থ চুরি (বোঝাতে চেয়েছেন, সেনা কর্মকর্তারা দেশের মানুষের অর্থ লুট করছেন) করেছেন। তাই আমরাও আমাদের অর্থ ফেরত নিয়েছি। সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কয়টা ময়ূর আপনি নিয়েছেন? তখন তিনি একটি ময়ূর নেওয়ার কথাই জানান।
পাকিস্তানে কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় সেনা বাসভবন বা স্থাপনায় হামলার ঘটনা নজিরবিহীন। তবে মঙ্গলবার শুধু লাহোর ক্যান্টনমেন্টেই নয়, হামলা হয়েছে রাওয়ালপিন্ডির সেনা হেডকোয়ার্টারেও।