প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৩ ১৫:১৯ পিএম
আপডেট : ১০ মে ২০২৩ ১৫:২৮ পিএম
কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে সারিবদ্ধ ভোটাররা। ছবি : হিন্দুস্তান টাইমস
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ২২৪টি কেন্দ্রে বুধবার (১০ মে) ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ৭টায় শুরু হয়ে ৯টা পর্যন্ত ৮.২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে।
এ নির্বাচনের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণ হবে ২ হাজার ৬১৫ প্রার্থীর। এ রাজ্যে মূল লড়াই হচ্ছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে।
তবে দক্ষিণ কর্ণাটকে বেশ শক্ত ঘাঁটি রয়েছে এইচডি দেবগৌড়ার দল জেডিএসের। এ অবস্থায় এ দলটিও হয়ে উঠতে পারে ‘কিংমেকার’। আগেরবার ৩০-এর কিছু বেশি আসন পেয়ে জেডিএসের এইচডি কুমারস্বামী এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন।
এদিকে কংগ্রেস নেতা তথা কর্ণাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার দাবি, ‘কংগ্রেস অনায়াসে ম্যাজিক ফিগার পার করবে।’
অন্যদিকে বেঙ্গালুরু দক্ষিণের সাংসদ তেজস্বী সূর্যের গলায় কংগ্রেসের প্রতি কটাক্ষ প্রকাশ পেয়েছে।
বুধবার ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারকে।
সে প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি নেতা তেজস্বী কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘বিজেপি অন্তত কংগ্রেসকে পুজো করতে বাধ্য করেছে।’
ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানি বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তি বলেন, ‘বড়দের দায়িত্ব হলো তরুণদের সঙ্গে বসে তাদের ভোট দেওয়ার গুরুত্ব বোঝানো এবং পরামর্শ দেওয়া। আমার বাবা-মা তা-ই করেছেন।’
অন্যদিকে বেঙ্গালুরুতে ভোট দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ভোটদানের পর অর্থমন্ত্রী মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতির বিষয়ে আমি জনগণের সঙ্গে একমত। হ্যাঁ, তাদের ওপর বোঝা চাপছে। যেটা উচিত নয়। কিন্তু বিরোধীদের এ নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার নেই। তাদের উচিত, নিজেদের মেয়াদের দিকে নজর দেওয়া।’
ইয়েদুরাপ্পাপুত্র বিওয়াই বিজয়েন্দ্র সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটি আমার প্রথম নির্বাচন এবং দল আমাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়ায় আমি খুশি। শিকারিপুরা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমি ধন্য। মানুষ ত্রিশঙ্কু বিধানসভায় বিরক্ত এবং আমি নিশ্চিত যে বিজেপি এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।’
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস