প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৩ ১৪:৪৪ পিএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৩ ১৪:৫৩ পিএম
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানিয়া জোলি চীনা কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। ছবি : বিবিসি
কানাডার এক এমপিকে ভয় দেখানোর চেষ্টার অভিযোগে এক চীনা কূটনীতিককে পাঠানোর প্রতিশোধ হিসেবে সাংহাইয়ের কানাডার কনসালকে বহিষ্কার করেছে চীন।
চীনের কূটনীতিক ঝাও ওয়েইকে ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ (অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি) ঘোষণা করে সোমবার (৮ মে) তাকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয় কানাডা।
এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার (৯ মে) চীন তার সাংহাই কনস্যুলেটে কানাডার কূটনীতিক জেনিফার লিন লালনডেকে অপসারণের নির্দেশ দেয়।
এ প্রসঙ্গে বেইজিং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চীন আরও প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার সংরক্ষণ করে।’
উভয় কূটনীতিকেরই দেশ ছাড়ার জন্য পাঁচ দিন সময় হাতে রয়েছে।
কানাডায় চীনা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগের পর অটোয়া এবং বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্কের একটা উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার কানাডা চীনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে পুনর্ব্যক্ত করেছিল যে, ‘কানাডা তার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ সহ্য করবে না।’
কানাডার পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী মেলানি জোলি সোমবার ঝাওকে ‘পার্সোনা নন গ্রাটা’ ঘোষণা করেন।
এ পদক্ষেপের কারণে কানাডাকে ‘বেইমান’ বলে অভিহিত করেছে চীন।
কানাডার গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে অটোয়া এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
গ্লোব অ্যান্ড মেইল পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কানাডার গুপ্তচর সংস্থা বিশ্বাস করে যে, চীনবিরোধী অবস্থান রোধ করার প্রয়াসে হংকংয়ে কানাডার এমপি চংয়ের আত্মীয়দের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল চীন।
এমপি চং ২০২১ সালে পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, যাতে উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে গণহত্যা বলে ঘোষণা করেছিল। চীন ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জোলি সোমবার বলেছিলেন, ‘কানাডা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাশত করবে না এবং বেইজিংয়ের কূটনীতিককে বহিষ্কারের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।’
মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘চীন ওই অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও দৃঢ়তার সঙ্গে বিরোধিতা করে।’
চীন গত সপ্তাহে কানাডার বিরুদ্ধে ‘অপবাদ ও মানহানির’ অভিযোগও করেছে।
সূত্র : বিবিসি