প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৩ ১৩:৩১ পিএম
আপডেট : ০৯ মে ২০২৩ ১৩:৪৫ পিএম
সাদরোল্লা ফাজেলি জারে এবং ইউসেফ মেহরদাদকে আরাক শহরের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ছবি : এনডিটিভি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মবিরোধী পোস্টের দায়ে দুজনকে সোমবার (৮ মে) ফাঁসি দিয়েছে ইরান।
ওই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
তাদের অভিযোগ, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে একটি ‘নতুন নিম্নস্তরে’ পৌঁছেছে।
বিচার বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজান জানিয়েছে, আল কোরআন এবং নবী মুহাম্মদকে অবমাননার দায়ে দোষী সাদরোল্লা ফাজেলি জারে ও ইউসেফ মেহরদাদকে সকালে আরাক শহরের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের অধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, ২০২২ সালে আগের যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি লোককে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।
অধিকারকর্মীরা তেহরান কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, ‘তারা জনগণকে ভয় দেখানোর একটি উপায় হিসেবে মৃত্যুদণ্ড ব্যবহার করছে।’
অ্যামনেস্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবারের মৃত্যুদণ্ড ইরানের কর্তৃপক্ষের জন্য একটি চমকপ্রদ নতুন নিম্নতর স্তর এবং ইরানের ফ্যাসিবাদী অবস্থানকে আরও বাড়িয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জায়গা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্যের জন্য তাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ওয়াশিংটনে বলেছেন, ‘ফাঁসি ইরানি জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপব্যবহার করার জন্য ইরানি শাসকদের প্রবণতার একটি গুরুতর অনুস্মারক।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্লাসফেমি আইন ইরানসহ বিশ্বব্যাপী মানবাধিকারের প্রতি অবমাননা।’
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেছেন, ‘মতামত প্রকাশের জন্য দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় বাকস্বাধীনতার মূল্যবোধসম্পন্ন দেশগুলোর জন্য তেহরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি পুনরায় ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে।’
সূত্র : এনডিটিভি