প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৩ ১৩:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৬ মে ২০২৩ ১৩:৫৪ পিএম
সুদানের রাজধানী খার্তুমে বিমান হামলার পর ধোঁয়া উঠছে। ছবি : বিবিসি
সুদানে বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে যাওয়ার পর সৌদি আরব শনিবার (৬ মে) দেশটিতে যুদ্ধরত বাহিনীগুলোর মধ্যে প্রথম মুখোমুখি আলোচনার আয়োজন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি এক যৌথ বিবৃতিতে জেদ্দায় সুদানী সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে ‘প্রাক-আলোচনা আলোচনা’ শুরুকে স্বাগত জানিয়েছে।
যদিও গত শুক্রবারের প্রতিবেদনেও খার্তুমে অব্যাহত সংঘর্ষের কথা বলা হয়েছে। সুদানের সেনাবাহিনী বলছে, ‘আলোচনার লক্ষ্য মানবিক সমস্যা সমাধান করা।’
কিন্তু, আরএসএফের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জাতিসংঘ এবং সাহায্য সংস্থাগুলোর চাপ এবং সুদানে একটি ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে দেশটির সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তারা ওই আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য জেদ্দায় তাদের দূত পাঠিয়েছে।
প্রায় তিন সপ্তাহের ভারী যুদ্ধে সুদানে শত শত মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার বেসামরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন বলছে, সুদানের ১ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় চেয়েছে।
প্রসঙ্গত, সুদানের সেনা কমান্ডার জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান - ডি ফ্যাক্টো সুদানের প্রেসিডেন্ট - আরএসএফ নেতা জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালোর সঙ্গে তিক্ত ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা উভয় পক্ষকে সুদানের জাতি ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার জন্য এবং সক্রিয়ভাবে যুদ্ধবিরতি এবং সংঘাতের অবসানের জন্য আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। এর ফলে সুদানের জনগণ দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানবিক সাহায্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে।’
ইউনিসেফের মুখপাত্র জেমস এল্ডার বলেছেন, ‘শুধুমাত্র সংঘাতের প্রথম ১১ দিনেই আনুমানিক ১৯০ জন শিশু নিহত হয়েছে এবং ১,৭০০ জন আহত হয়েছে। বাস্তবতা আরও খারাপ হতে পারে। লড়াইয়ের তীব্রতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সাহায্য বিতরণকে বাধা দিয়েছে।’
সূত্র : বিবিসি