প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৩ ১৪:৪৩ পিএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৩ ১৫:৪৬ পিএম
ক্রেমলিনের সরকারি ভবনের দিকে উড়ে আসছে ড্রোন। ছবি : সংগৃহীত
ক্রেমলিনে চলতি সপ্তাহের ড্রোন হামলা সংঘটিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছে রাশিয়া।
কিন্তু ওই হামলায় কোনোভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে ওয়াশিংটন বলেছে, তারা ওই হামলার নিজস্ব তদন্ত শুরু করেছে।
মস্কোয় এক বক্তৃতায় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বৃহস্পতিবার (৪ মে) বুধবারের ওই হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অভ্যন্তরীণ প্রতিপক্ষের হাত ছিল বলে ইউক্রেনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ‘আমরা ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
পেসকভ আরও বলেন, ‘কিয়েভ এবং ওয়াশিংটনের এটিকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা একেবারে হাস্যকর। আমরা খুব ভালো করেই জানি যে, এই সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কিয়েভে নয়, ওয়াশিংটন থেকে নেওয়া হয়েছে। কিয়েভকে যা করতে বলা হয়েছে, কিয়েভ তাই করছে।’
এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়েরে বুধবার সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘রাশিয়ার তথাকথিত ভুয়া হামলা চালানোর ইতিহাস রয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা এখনও সঠিকভাবে নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন কী ঘটেছে এবং কারা এ হামলার জন্য দায়ী হতে পারে।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনের সমন্বয়কারী জন কিরবি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখনও কী ঘটেছে সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি এবং আমাদের কাছে চূড়ান্ত প্রমাণ নেই।’
পুতিন ঘটনাটিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ বাড়ানোর অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবেন কি না সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা এমন নয় যে পুতিনকে ইউক্রেনীয়দের হত্যা করার জন্য নতুন কারণ আবিষ্কার করতে হবে। তিনি এটা বারবার করছেন।’
তদন্ত অব্যাহত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করছে যে এ হামলার পেছনে একটি ইউক্রেনপন্থি গ্রুপ ছিল।
ওই কর্মকর্তা বলেন, গোষ্ঠীটি কিয়েভের সরকারের সঙ্গে যুক্ত কি না তা এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে। তবে ইউক্রেনের শীর্ষ নেতৃত্ব এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ছিল না বলে যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা।
সূত্র : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল