প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৩ ১৪:৫৫ পিএম
সহিংস অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানোর কাজ করছেন সামরিক কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। ছবি : এনডিটিভি
আদিবাসীদের বিক্ষোভ সহিংস আকার ধারণ করায় ভারতের মণিপুরে সেনা এবং আসাম রাইফেলস মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, সহিংস অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানোর কাজ করছেন সামরিক কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর জওয়ানরা।
পুলিশের সঙ্গে সেনাবাহিনী মিলে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, শান্তি বজায় রাখতে ফ্ল্যাগ মার্চ করছে সেনাবাহিনী। এর আগে গত মাসে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল উত্তেজিত জনতা।
আর সম্প্রতি মৈতেই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের।
এই আবহে রাজ্যের আট জেলায় জারি হয়েছে সান্ধ্যআইন। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।
উল্লেখ্য, ইম্ফাল উপত্যকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হল মৈতেই উপজাতি। তবে তারা সম্প্রতি দাবি তুলেছে যে, তাদের তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দিতে হবে।
তাদের এই দাবির বিরোধ জানিয়েছে স্থানীয় আদিবাসীরা।
এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের অল ট্রাইবাল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন একটি মিছিলের আয়োজন করে গত বুধবার। সেই মিছিল ঘিরেই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে চূড়াচাঁদপুর জেলায়।
এদিকে বুধবারের সংঘর্ষে চূড়াচাঁদপুর জেলায় আগুন জ্বলছে। এই পরিস্থিতিতে গতকাল বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে বাধ্য হয়।
এই ঘটনার পর ইম্ফল পশ্চিম জেলার কাঞ্চিপুর এবং ইম্ফল পূর্বে সোইবাম লেইকাইতে মৈতেই জনজাতির মানুষজন আদিবাসীদের ওপর হামলা করার জন্য পথে নামে।
তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
আদিবাসীদের সেই এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় যাতে নতুন করে অঞ্চলে অশান্তি না ছড়ায়। ওই অঞ্চলে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।
সূত্র : এনডিটিভি