প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৩ ২০:১৩ পিএম
আপডেট : ০২ মে ২০২৩ ২০:৩৩ পিএম
চীনের কোনো এক বিমানবন্দরে একজন নিরাপত্তাকর্মীকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত
চীন হাজার হাজার নাগরিককে দেশ ত্যাগে বাধা দিচ্ছে। এসব ব্যক্তির মধ্যে চীনা সরকারের সমালোচক, মানবাধিকার কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। রয়েছেন কিছু বিদেশি নাগরিকও।
মঙ্গলবার (২ মে) স্পেনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সেফগার্ড ডিফেন্ডার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
সেফগার্ড ডিফেন্ডার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেসব ব্যক্তিকে দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে, তাদের চীনের সুপ্রিম পিপলস কোর্টের ডেটাবেসে ‘এক্সিট ব্যান’ ট্যাগ দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এক্সিট ব্যান ট্যাগ দেওয়া হয়েছিল প্রায় ৫ হাজার মানুষকে। ২০২০ সালে তা ৩৯ হাজারে পৌঁছেছে।
চীনে দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন মানুষের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করে সেফগার্ড ডিফেন্ডার্স। কারণ ডেটাবেসে শুধু প্রশাসনিক, ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলায় অভিযুক্তদের তথ্য রাখা হয়। অথচ এসব অপরাধের বাইরেও অনেক ব্যক্তিকে দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
তা ছাড়া দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন মানুষের প্রকৃত সংখ্যা জানার পেছনে আরেকটি বাধা হলো, ডেটাবেস হালনাগাদে বিলম্ব। তা করা হয় দুই বছর পর পর। তাই ২০২১ ও ২২ সালে আরও কী পরিমাণ মানুষকে দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।
আল-জাজিরা জানায়, ২০১৮ ও ২২ সালের মধ্যে চারটি নতুন আইন করে চীন। এসব আইনের মধ্যে সুপারভিশন ল, কাউন্টারস্পোনাজে ল অন্যতম। এসব আইনের পাশাপাশি মোট ১৫টি আইন ও অধ্যাদেশকে নাগরিকদের দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সেফগার্ড ডিফেন্ডার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এরপর থেকে নাগরিকদের দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।
সূত্র : আল-জাজিরা