প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ মে ২০২৩ ০৮:১৬ এএম
আপডেট : ০১ মে ২০২৩ ১২:০৭ পিএম
আবু হুসেইন আল-কুরায়শি। ছবি : সংগৃহীত
ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সন্দেহভাজন শীর্ষ নেতাকে তুরস্কের বাহিনী সিরিয়ায় হত্যা করেছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
আবু হুসেইন আল-কুরায়শি নামের ওই শীর্ষ আইএস নেতা গত নভেম্বরে তার পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির দায়িত্ব নেন বলে জানা গেছে।
এরদোয়ান টিআরটি তুর্কি টেলিভিশনকে বলেছেন, গত শনিবার (২৯ এপ্রিল) তুরস্কের এমআইটি গোয়েন্দা সংস্থার এক অভিযানে আইএস নেতা নিহত হন।
যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি আইএস।
এরদোয়ান বলেন, ‘এমআইটি গোয়েন্দা সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে কুরায়শিকে অনুসরণ করছিল। আমরা কোনো বৈষম্য ছাড়াই সন্ত্রাসী সংগঠনের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাব।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিরিয়ার সূত্র জানায়, তুর্কি সীমান্তের কাছে উত্তরাঞ্চলীয় শহর জান্দারিসে এ অভিযান চালানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত নভেম্বরে জিহাদি গোষ্ঠী তাদের নেতা আবু আল-হাসান আল-হাশেমি আল-কুরায়শির মৃত্যুর ঘোষণা দেয়।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আবু আল-হাসান আল-হাশেমি আল-কুরায়শি ২০২২ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ায় বিদ্রোহী ফ্রি সিরিয়ান আর্মির অভিযানে নিহত হন।
সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, ‘এই অপারেশন বিশ্বের জন্য একটি বড় সন্ত্রাসী হুমকিকে সরিয়ে দিয়েছে।’
এরপর গোষ্ঠীটির দায়িত্ব নেন আবু হুসেইন আল-কুরায়শি।
আইএস এক সময় উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে উত্তর ইরাকজুড়ে বিস্তৃত ৮৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল দখল করে সেখানকার প্রায় ৮০ লাখ মানুষের ওপর তার নৃশংস শাসন চাপিয়েছিল।
২০১৯ সালে গোষ্ঠীটিকে তার শেষ অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। কিন্তু. জাতিসংঘ গত জুলাই মাসে সতর্ক করেছিল যে, এর হুমকি এখনও রয়ে গেছে।
সিরিয়া এবং ইরাকে আইএসের ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ যোদ্ধা রয়েছে বলে অনুমান করা হয়।
আইএসের আঞ্চলিক সহযোগীরা বিশ্বের অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেও হুমকি সৃষ্টি করে থাকে।
জাতিসংঘ বলেছে, এর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সুপ্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্কগুলো আফগানিস্তান, সোমালিয়া এবং লেক চাঁদ অববাহিকায় অবস্থিত।
সূত্র : বিবিসি