প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:০২ পিএম
আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:২১ পিএম
চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফু। ছবি : সংগৃহীত
ভারত ও চীনের সম্পর্ক গত কয়েক বছরে ক্রমে অস্থিরতর হয়েছে। এ অবস্থায় চার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ভারত সফরে এসেছেন চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফু।
জানা গেছে, আট সদস্যের সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) ২০২৩ সালের শীর্ষ সম্মেলন শুক্রবার নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে। এতে যোগ দিতে সেখানে পৌঁছেছেন চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুরও এতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সশরীরে যোগ না দিয়ে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
বিবিসি জানায়, ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীন ও ভারতের সেনারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ভারতের অন্তত ২০ সেনা নিহত হন। চীনের নিহত হন চারজন। এ সংঘর্ষের পর চীনের কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারত সফরে আসেননি।
গালওয়ান উপত্যকা সংঘর্ষের পর গত ডিসেম্বরে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সীমান্তেও দুই দেশের সেনারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষে বেশ কিছু সেনা আহত হলেও কেউ নিহত হননি।
এসসিওর সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার পর অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লি সাংফুর দ্বিপক্ষীয় বৈঠককে অনেকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।
কারণ ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকা সংঘর্ষের পর দুই দেশের সেনাবাহিনীর সদস্যরা ১৮ দফা বৈঠকে বসলেও মূল সমস্যার তেমন কোনো সমাধান করতে পারেননি। এ অবস্থায় সাংফু ও সিংয়ের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
ন্যাটোসহ পশ্চিমাদের অন্য সামরিক জোটের প্রভাব কমাতে ২০০১ সালে এসসিও প্রতিষ্ঠা করা হয়। চীন, রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ নিরাপত্তা সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। পাকিস্তান ও ভারত ২০১৭ সালে এতে যোগ দেয়। ইরান, বেলারুশ, আফগানিস্তান ও মঙ্গোলিয়া সংস্থাটির পর্যবেক্ষক।
সূত্র : বিবিসি