× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সন্তানদের শরীরে আঁকালেন ট্যাটু, তা মুছে দিতে কাটলেন মাংস

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১২:৩২ পিএম

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:১২ পিএম

সন্তানদের শরীরে ট্যাটু এঁকেছিলেন মা ও সৎ বাবা। প্রতীকী ছবি

সন্তানদের শরীরে ট্যাটু এঁকেছিলেন মা ও সৎ বাবা। প্রতীকী ছবি

সন্তানদের শরীরে ট্যাটু এঁকেছিলেন মা ও সৎ বাবা। আর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসতেই সে ট্যাটু মিটিয়ে ফেলতে সন্তানদের মাংস কেটে নিলেন তারা। সন্তানদের সঙ্গে এমন আচরণের জন্য গ্রেপ্তারও করা হয় এ দম্পতিকে। মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যে।

সংবাদমাধ্যম কেটিআরইয়ের প্রাপ্ত গ্রেপ্তার হলফনামা থেকে জানা যায়, মা মেগান মে ফার ও সৎ বাবা গানার ফার তাদের নয় বছর ও পাঁচ বছর বয়সি সন্তানদের জোরপূর্বক ট্যাটু করিয়ে দেন। একটি শিশুর পায়ে একটি ট্যাটু, অন্য শিশুর কাঁধে একটি ট্যাটু দেখতে পাওয়া যায়।

পুলিশের তদন্তে অভিযোগ করা হয়, ফার দম্পতি ট্যাটু আঁকার সময় সন্তানদের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। এ সময় তাদের মুখ টেপ দিয়ে আটকে রাখা হয় এবং চোখও কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।

মা মেগান মে ফার ও সৎ বাবা গানার ফার। ছবি : সংগৃহীত

সন্তানদের শরীরে এ ট্যাটু দেখতে পান তাদের জন্মদাতা বাবা ও সৎ মা। এর পরই তারা বিষয়টি শিশু সুরক্ষা পরিষেবাকে (সিপিএস) অবহিত করেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমে পড়ে সিপিএস।

আর এ বিষয়টি জানতে পেরে ঘাবড়ে যান ফার দম্পতি। তারা বুঝতে পেরেছিলেন শিশুদের শরীরে জোরপূর্বক করা ট্যাটু দেখতে পেলে নিজেদের গ্রেপ্তার এড়াতে পারবেন না। তাই সন্তানদের শরীর থেকে সে ট্যাটু মিটিয়ে ফেলার চেষ্টাও করেন।

অন্তর্বর্তী জাভাল্লা পুলিশপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেমস ডেনবি কেটিআরইকে বলেন, ওই শিশুদের শরীরে আঁকা ট্যাটুর নির্দিষ্ট স্থানে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন ছিল। যা দেখে অনুমান করা যাচ্ছিল যে ট্যাটু সরাতে শিশুদের শরীরে করা ওই ট্যাটুর স্থান থেকে মাংস কেটে নেওয়া হয়েছে। সিপিএস শিশু নির্যাতনের অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর এ কাজ করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় সোমবার (২৪ এপ্রিল) গ্রেপ্তার করা হয় শিশুদের মা মেগান মে ফার ও তাদের সৎ বাবা গানার ফারকে। তাদের বিরুদ্ধে সন্তানদের আঘাত করা ও জোরজবরদস্তির অভিযোগ আনা হয়।

বাবা-মাকে গ্রেপ্তারের পর ওই শিশুদের সিপিএসের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনার তদন্ত চলছে।

সূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা