প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৩ ১৪:০৫ পিএম
আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৩ ১৪:২৮ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের হাইমারস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনতে পারে অস্ট্রেলিয়া। ছবি : বিবিসি
চীনের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চিন্তা করছে অস্ট্রেলিয়া।
ওই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
অস্ট্রেলিয়া সরকার সতর্ক করে বলেছে, এই ‘ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে’ শুধু ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার দ্বারা দেশকে আর সুরক্ষিত করা যাবে না।
দেশটি ওই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনতে ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করার কথা ভাবছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অস্ট্রেলিয়ান প্রতিরক্ষার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ওই প্রতিরক্ষা কৌশলগত পর্যালোচনা (ডিএসআর) এলো।
চীনের নৌবাহিনীও দক্ষিণ চীন সাগরে একটি বড় উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করে এর কিছু অংশকে তার নিজস্ব এলাকা বলে দাবি করেছে। যদিও এটা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেছেন, ‘পর্যালোচনা প্রতিবেদনটি আমাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের রূপ দেবে। এর সুপারিশগুলো অস্ট্রেলিয়াকে আরও আত্মনির্ভরশীল, আরও প্রস্তুত এবং আরও নিরাপদ করে তুলবে।’
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, ‘প্রতিবেদনটি সুপারিশ করে যে, অস্ট্রেলিয়া দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতার দিকে মনোনিবেশ করবে।’
মার্লেস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের এমন একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী থাকা দরকার যা প্রভাবমূলক অভিক্ষেপে নিয়োজিত হওয়ার ক্ষমতা রাখে।’
মন্ত্রী বলেন, ৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বসহ ‘নির্ভুল আঘাত হানার ক্ষেপণাস্ত্র’ অর্জন সেনাবাহিনীকে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় গতিশীলতা দেবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাইওয়ান বা দক্ষিণ চীন সাগরে উদ্দেশ্যগুলো অর্জনের জন্য চীনকে শক্তি প্রয়োগ করা থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করছি। তবে অবশ্যই এ প্রতিরোধ ব্যর্থ হতে পারে, যেমন আমরা ইউক্রেনের ক্ষেত্রে দেখেছি। তাই আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা যা বিনিয়োগ করছি তা নাটকীয়ভাবে আমাদের যুদ্ধের পরিধি প্রসারিত করবে।’
মার্লেস বলেন, পর্যালোচনা প্রতিবেদনটি ফাইটার এয়ারক্রাফটের জন্য দূরপাল্লার অ্যান্টি-শিপ মিসাইল অর্জনেরও সুপারিশ করেছে। কিন্তু নতুন ইউএস বি-২১ রাইডার স্টিলথ বোমারু বিমান বর্তমানে উপযুক্ত বিকল্প নয়।
সূত্র : বিবিসি