প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৩ ২৩:৩৭ পিএম
আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৩ ১১:০১ এএম
সুদানের রাজধানী খার্তুমে দুই দিন ব্যাপক সংঘাত হয়। ছবি : সংগৃহীত
সুদানের সেনাবাহিনী ও র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে দুই দিন ধরে সংঘাত চলছে। দ্বিতীয় দিন রবিবার স্থানীয় সময় বিকালের দিকে দুই পক্ষ চার ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, উদ্ভূত সংকট কি সহসা থামবে? প্রতিবেশী ও বিশ্বশক্তিগুলো দেশটির ঘটনাপ্রবাহ কেনই বা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে?
বিবিসির এক সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণে বলা হয় : মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে সুদান আরব বিশ্বের অন্যতম গরিব দেশ। তবে দেশটি প্রাকৃতিক সম্পদে ভরা। আরব সাগরে তার অবস্থান কৌশলগতভাবে তাকে প্রতিবেশী আরব দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো বিশ্বশক্তিকে আকর্ষণ করছে।
রাশিয়া সুদানে একটা নৌঘাঁটি স্থাপন করতে চায়। এটা নিয়ে অনেক দিন ধরে আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশটির সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে।
কিন্তু রাশিয়া সুদানে নৌঘাঁটি করুক, তা কোনোমতেই চায় না যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সামরিক নেতৃত্বের একটা অংশের সঙ্গেও সুসম্পর্ক রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। যুক্তরাষ্ট্রের চাপে সম্প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশটি।
সুদানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী মিসর। এ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালো। উভয় দেশ প্রতিবেশী ইথিওপিয়াকে শত্রু মনে করে।
২০১৯ সালে সামরিক শাসক জেনারেল ওমর আল-বশির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সুদানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে।
এ দুই দেশ সুদান থেকে দুইভাবে ফায়দা নিতে চায়। সৌদি চায় ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিক সুদান।
আর ইউএই চায় উগ্রপন্থি ইসলামের বিস্তার ঠেকাতে দেশটিকে কাছে পেতে। কারণে সুদানে অনেক ধরেনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক সক্রিয়, যারা রাজনৈতিকভাবে চরমপন্থি।
সূত্র : বিবিসি