প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:৩৪ এএম
আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:৪৫ এএম
২০২৩ সালের ২১ মার্চ পোল্যান্ডের মালবোর্কের একটি বিমানঘাঁটিতে ন্যাটো মিডিয়া ইভেন্টের সময় উড়ছে মিগ-২৯ যুদ্ববিমান। ছবি : আলজাজিরা
জার্মান সরকার ইউক্রেনকে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রক্ষা করতে সহায়তার জন্য সোভিয়েত ডিজাইন করা পাঁচটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান স্থানান্তরের জন্য পোল্যান্ডের অনুরোধ অনুমোদন করেছে।
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস গত বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমরা একসঙ্গে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, আমি তাকে স্বাগত জানাই।’
প্রসঙ্গত, পোল্যান্ডের বাকি জেটগুলো তৃতীয় কোনো দেশে পাঠাতে জার্মানির সম্মতি প্রয়োজন। কারণ ২০০৪ সালে জার্মান সরকার প্রতিবেশী পোল্যান্ডে ২২টি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল। বাকি দুটি জেটের মধ্যে একটি দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়েছে এবং একটি যাদুঘরে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
পিস্টোরিয়াস বলেছেন, পোল্যান্ডের পক্ষ থেকে ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠানোর অনুরোধ গত বৃহস্পতিবার এসেছে।
১৯৯০ সালে পুনর্মিলনের সময় জার্মানি উত্তরাধিকারসূত্রে ২৪টি মিগ-২৯ তৎকালীন পূর্ব জার্মানির কাছ থেকে পেয়েছিল।
সপ্তাহখানেক আগে পোল্যান্ড সফরে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তখন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা বলেছিলেন, তার দেশে ইতোমধ্যে চারটি মিগ–২৯ ইউক্রেনকে দিয়েছে। আরও চারটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া প্রস্তুত আছে আরও ছয়টি মিগ–২৯ যুদ্ধবিমান।
রুশ বাহিনী ইউক্রেনে বড় ধরনের হামলা শুরুর পরিকল্পনা করছে দাবি করে মিত্রদের কাছে যুদ্ধবিমান পেতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কিয়েভ। ইতোমধ্যে স্লোভাকিয়াও ইউক্রেনে একাধিক মিগ–২৯ পাঠিয়েছে।
পশ্চিমা দেশগুলো এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-১৬-এর মতো উন্নত ফাইটার জেট দিতে নারাজ। কিন্ত কিছু দেশ এ অবস্থান থেকে সরে এসে ইউক্রেনকে মিগ–২৯–এর মতো পুরোনো যুগের যুদ্ধবিমান দিচ্ছে। অবশ্য ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী যুদ্ধে ইতোমধ্যে এ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে।
যুদ্ধের শুরু থেকেই কিয়েভের পছন্দসই সরঞ্জামের তালিকার প্রথম দিকেই ছিল ফাইটার জেটগুলো।
সূত্র : আলজাজিরা