প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৮:১১ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মহামারি থেকে জলবায়ু সংকটের মতো নানা বিপর্যয় গেল পাঁচ বছরে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। জাতিসংঘের নতুন এক প্রতিবেদনে বলছে অনেক দেশে এসব বিপর্যয় পরবর্তী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা লাখ লাখ মানুষকে আধুনিক দাসত্বের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও) এবং ওয়াক ফ্রি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের সোমবার প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী আনুমানিক পাঁচ কোটি মানুষ বাধ্যতামূলক শ্রম ও জোরপূর্বক বিয়ের শিকার হয়েছেন। ১৮০ টিরও বেশি দেশে জরিপ চালিয়ে এ ফলাফল প্রকাশ করেন গবেষকেরা।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আধুনিক দাসত্ব বলতে বাধ্যতামূলক শ্রম এবং জোরপূর্বক বিয়েকে বুঝানো হয়েছে। এটি এমন এক পরিস্থিতি যখন কেউ হুমকি, সহিংসতা বা প্রতারণার কারণে এ প্রস্তাব মেনে চলতে বাধ্য হয় কিংবা তা এড়িয়ে যেতে পারে না।
গবেষণায় বলা হয়, করোনাভাইরাস, সশস্ত্র সংঘাত ও জলবায়ু সংকট ‘নজিরবিহীন ব্যাঘাত’ সৃষ্টি করেছে কর্মসংস্থান ও শিক্ষায়। যার ফলে দারিদ্র্য, অনিরাপদ অভিবাসন ও লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেগুলোকে আধুনিক দিনের দাসত্বের ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করেছেন গবেষকেরা।
আইএলও’র মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, প্রতিনিয়ত মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। কোনো কিছুই এর পক্ষে সমর্থন দিতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি কী করা দরকার এবং কী করতে হবে। কার্যকর জাতীয় নিয়ম নীতি এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক। কিন্তু কোনো সরকার ব্যবস্থা তা একা বাস্তবায়ন করতে পারবে না।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, উন্নত আইনি ব্যবস্থা, শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা এবং নারী, কিশোরী ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য আরও সমর্থন বাড়ালে তা কমিয়ে আনতে বা এক সময় অবসান ঘটাতে পারে আধুনিক দাসত্বের।
প্রবা/এনএস