প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ০৯:০৫ এএম
আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ১১:৫০ এএম
আমস্টারডামে ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। ছবি : সংগৃহীত
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁখো তাইওয়ান ইস্যুতে যে চীনঘেঁষা মন্তব্য করেছেন
তার সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সেই মন্তব্যের সমর্থনে আবারও বুধবার (১২ এপ্রিল) তিনি বলেন,
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হওয়ার অর্থ তার ‘জাহাজ’ হওয়া নয়।
মাখোঁ নেদারল্যান্ডসে এক রাষ্ট্রীয় সফরের সময় ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের
সঙ্গে আমস্টারডামে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এও বলেছেন, ফ্রান্স এখনও তাইওয়ানের স্থিতাবস্থাকে
সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হওয়া মানে এই নয় যে আমাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা করার
অধিকার নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘প্যারিস এক চীন নীতি ও পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের
পথ অনুসন্ধানকে সমর্থন করে।’
মাখোঁ গত সপ্তাহে চীন সফরে গিয়েছিলেন। এ সফরের পরে পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
তিনি বলেছিলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে ইউরোপের উচিত হবে না ওয়াশিংটন বা বেইজিংয়ের অনুসারী
হিসেবে আটকে যাওয়া।
অবশ্য এমন পরিস্থিতির জন্য বাইডেন প্রশাসনকেই দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার বন্ধু মাখোঁও এখন চীনকে চুমু খায়।
বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে বেশ চাপেই রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট
মাখোঁ। বিশেষ করে পেনশন সংস্কার বিল নিয়ে দেশটিতে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ অনেক স্থানে সহিংসতায়
রূপ নিয়েছে।
এ ছাড়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর কারণে রাশিয়ার ওপর একের পর এক পশ্চিমা
নিষেধাজ্ঞা ইউরোপে বুমেরাংয়ের মতো ফেরত এসেছে। ফ্রান্সও এর বাইরে নয়। দেশটিতে মূল্যস্ফীতি
এখন চরমে।
তবে পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রতার শিকল ভাঙার চেষ্টা ফ্রান্সের জন্য আসলে নতুন নয়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে করা সাবমেরিনসংক্রান্ত একটি চুক্তি অস্ট্রেলিয়া বাতিল করলে বিরক্তি প্রকাশে কোনো রাখঢাক রাখেনি প্যারিস।
সূত্র : ফ্রান্স ২৪