প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৩ ১০:৩১ এএম
আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২৩ ১১:১০ এএম
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির অস্ত্রাগার দ্রুত আধুনিকায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। ছবি : আলজাজিরা
উত্তর কোরিয়া শুক্রবার (৭ এপ্রিল) পানির নিচে পারমাণবিক ড্রোন আক্রমণের আরেকটি পরীক্ষা চালিয়েছে।
খবরটি নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)।
পিয়ংইয়ং ওই পারমাণবিক ড্রোনের নাম রেখেছে হেইল-২। কোরিয়ান ভাষার এ শব্দের বাংলা অর্থ ‘সুনামি’।
শত্রুর জলসীমায় লুকিয়ে থেকে আক্রমণ করার জন্য ওই ড্রোন সিস্টেমের ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
৪ এপ্রিল ওই ড্রোন সিস্টেমের প্রথম পরীক্ষা চালিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।
পানির নিচে আক্রমণের ক্ষেত্রে ড্রোনটি কতটা সফল তা নিয়ে সন্দিহান বিশ্লেষকরা।
তবু তারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বৈচিত্র্যময় অস্ত্র প্রদর্শন করতে আগ্রহী উত্তর কোরিয়া। তারা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় বড় আকারের সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে।
কেসিএনএ জানিয়েছে, ‘পারমাণবিক ড্রোন হেইল-২ এক হাজার কিলোমিটার দূরত্বের নিশানায় সফলভাবে আঘাত হেনে বিস্ফোরিত হয়েছে।’
কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পরীক্ষাটি পানির নিচের এ কৌশলগত অস্ত্রব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা এবং এর মারাত্মক আক্রমণ ক্ষমতাকে পুরোপুরি প্রমাণ করেছে।’
উত্তর কোরিয়া ২০২২ সালে রেকর্ডসংখ্যক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে এবং এ বছর তার সেই সামরিক গতি বজায় রেখেছে।
এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়ার পর উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন অস্ত্র-গ্রেডের পারমাণবিক উপাদানের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার পরে স্যাটেলাইট চিত্রগুলোয় দেশটির প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রে উচ্চস্তরের কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
গত বছর উত্তর কোরিয়া নিজেকে একটি ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক শক্তি হিসেবে ঘোষণা করে দেশটির সামরিক বাহিনীকে ‘প্রকৃত যুদ্ধের’ প্রস্তুতির জন্য মহড়া জোরদার করে।
২০১৯ সালে কিম এবং যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে দ্বিতীয় হাইপ্রোফাইল শীর্ষ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা স্থবির হয়ে পড়েছে।
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার দায়ে জাতিসংঘের রেজুলেশনের অধীনে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
সূত্র : আলজাজিরা