প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:৫৬ পিএম
(বাঁ থেকে) গ্লোরিয়া জনসন, জাস্টিন জোন্স ও জাস্টিন পিয়ারসন। ৬ এপ্রিল টেনেসি স্টেট ক্যাপিটল ত্যাগ করছেন। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদ থেকে দুই আইনপ্রণেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বন্দুক সহিংসতা নিয়ে পরিষদে বিক্ষোভ করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কার দুজনই ডেমোক্রেটিক দলের ও কৃষ্ণাঙ্গ।
বহিষ্কার একজনের নাম জাস্টিন জোন্স। তিনি ৭২ বনাম ২৫ ভোটে বহিষ্কার হন। দ্বিতীয়জন জাস্টিন পিয়ারসন বহিষ্কার হন ৬৯ ভোটে।
ডেমোক্রেটিক দলের আরেক আইনপ্রণেতা গ্লোরিয়া জনসনের বিরুদ্ধেও বহিষ্কার বিষয়ে ভোটাভুটি হয়। কিন্তু মাত্র এক ভোট কম হওয়ায় তিনি বহিষ্কারের হাত থেকে রক্ষা পান। যুক্তরাষ্ট্রের পরিষদ থেকে কোনো আইনপ্রণেতাকে বহিষ্কার করার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দরকার হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ থেকে আইনপ্রণেতাদের বহিষ্কারের ঘটনা দেশটির গৃহযুদ্ধের পর (১৮৬১-৬৫) থেকে বেশ দুর্লভ বলে উল্লেখ করা হয়েছে আরটির এক প্রতিবেদনে।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ভোটাভুটির সময় টেনেসির পরিষদের গ্যালারিতে অন্তত ২০ জন মানুষ বিক্ষোভ করেন। তারা পরিষদের সিদ্ধান্তকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে স্লোগান দেন।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেন, এই সিদ্ধান্ত ভয়ংকর, অগণতান্ত্রিক ও নজিরবিহীন। বন্দুক সহিংসতা নিয়ে অর্থপূর্ণ আলোচনা করতে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত টেনিসির পরিষদ ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি বন্দুক হামলা বেড়েছে। গত মাসের শেষের দিকে টেনেসির ন্যাশভিলের একটি স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তাই টেনেসি পরিষদে বন্দুক সহিংসতা বন্ধ করতে বিক্ষোভ করেন ডেমোক্রেটিক পার্টির উল্লিখিত আইনপ্রণেতারা।
জোন্স ও পিয়ারসনের অভিযোগ, কৃষ্ণাঙ্গ বলে সাদা সহকর্মীরা তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। তাদের আচরণে বর্ণবাদী মানসিকতা স্পষ্ট। কিন্তু রিপাবলিকানরা তা অস্বীকার করেছেন।
সূত্র : আরটি