প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:৫২ পিএম
আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৩ ১৮:০৪ পিএম
জাপানে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর কারণে ব্যাপক হারে মুরগি নিধন করা হয়। ছবি : সংগৃহীত
জাপানে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর কারণে ব্যাপক হারে মুরগি নিধন করা হয়েছে। আর সেসব মুরগি মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়। কিন্তু বর্তমানে ফ্লু আক্রান্ত মুরগির সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ায় আক্রান্তও হয়ে থাকতে পারে এমন মুরগিগুলোকে নিধনের পর পুঁতে ফেলার জায়গা সংকটে ভুগছে দেশটি।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি জাপানের ২৬টি জেলায় মুরগির মধ্যে এভিয়েন ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। এই ২৬টি জেলার মধ্যে ১৬টি জেলাতেই ফ্লু আক্রান্ত এসব মুরগি পুঁতে ফেলার জন্য পর্যাপ্ত জমি নেই।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও খামারগুলো এ ভাইরাসের বিস্তার রোধ করার জন্য মুরগি বা অন্যান্য পাখি নিধন করে সেগুলোকে মাটিতে পুঁতে ফেলে। কিন্তু জায়গা সংকটের কারণে এখন সে প্রচেষ্টাও আটকে রয়েছে।
বিগত কয়েক মাসে জাপানে বার্ড ফ্লু আক্রান্তের হার রেকর্ড ছাড়িয়েছে। যার কারণে ১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি মুরগি নিধন করা হয়েছে। যার কারণে একদিকে কমে যায় পোল্ট্রি মুরগির সরবরাহ, অন্যদিকে রেকর্ড হারে বেড়েছে ডিমের দাম।
রাবোব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের প্রথম তিন মাসেই বিশ্বব্যাপী ডিমের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ফ্লুর কারণে মুরগির খাবারের দাম বেড়ে যাওয়াও এর অন্যতম কারণ।
এর আগে ২০২০ সালেও এ ভাইরাসের কারণে ৯৯ লাখ মুরগি নিধন করা হয়, যা ছিল সে সময়কার নতুন রেকর্ড।
তবে চলতি বছর এ সংকটের সমাধান হবে বলে আশা করা যাচ্ছে না।
সূত্র : সিএনএন