প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৩ ২২:৫৪ পিএম
ভারত ও চীনের ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটারের সীমান্ত সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে, তা বলা প্রায় অসম্ভব। সংগৃহীত ম্যাপ
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ১১টি স্থানের নতুন নামকরণ করেছে চীন। চীনের এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) এক বিৃবতিতে বলেন, গণমাধ্যমের এ ধরনের একটা প্রতিবেদন আমাদের চোখে পড়েছে। চীনের এ ধরনের কাজ এটাই প্রথম নয়। আমরা চীনের এ সিদ্ধান্তকে সরাসরি বাতিল করে দিচ্ছি। অরুণচল প্রদেশে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ভবিষ্যতেও তা থাকবে। নাম পরিবর্তন করে বাস্তবতার কোনো পরিবর্তন করা যাবে না।
আল-জাজিরা ও আরটির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এবার নিয়ে তিন দফায় অরুণাচলের নতুন নামকরণ করল চীন। প্রথমবার ২০১৭ সালে, দ্বিতীয়বার ২০২১ সালে। তিন দফায় চীনা ম্যাপে অরুণাচলের ৩২টা স্থানের নতুন নামকরণ করা হয়েছে। কারণ অরুণচলকে, যা চীনে জেংনাম হিসেবে পরিচিত, নিজেদের দক্ষিণ তিব্বতের অংশ মনে করে বেইজিং।
পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশ ১৯৬২ সালে প্রকৃত সীমান্ত রেখা (এলএসি) নিয়ে সম্মত হয়। অর্থাৎ একটা খসড়া সীমান্ত নিয়ে সমঝোতা হয়। এরপরই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।
এখন সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের আলাদা ধারণা ও দাবি রয়েছে। এ অবস্থায় ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটারের সীমান্ত সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে, তা বলা প্রায় অসম্ভব।
তবে ১৯৬২ সালের পর বড় ধরনের আরও কোনো সংঘাত না হলেও সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত লেগেই আছে। ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্ত দুই দেশের সেনারা স্মরণকালের ভয়াবহ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন সেনা নিহত হয়।
এরপর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অরুণালচল সীমান্তেও দুই দেশের সেনারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে কোনো পক্ষের কেউ নিহত না হলেও উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন সেনা আহত হয়।
সূত্র: আরটি, আল-জাজিরা