প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৩ ২১:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৩ ২২:২৩ পিএম
বিধ্বস্ত করার পর সাগর থেকে চীনা বেলুন উদ্ধার করছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সদস্যরা। ৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ক্যারোলিনার উপকূলে। ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় চীনের একটি বিশাল আকৃতির বেলুন প্রবেশ করেছিল গত ফেব্রুয়ারিতে। বেলুনটি পরবর্তীতে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। কিন্তু তার আগেই বেলুনটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সামরিক স্থাপনা থেকে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করে তা বেইজিংয়ে পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচার মাধ্যম এনবিসির এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুজন বর্তমান শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও উচ্চপর্যায়ের সাবেক এক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে ওই দাবি করা হয়েছে এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈদ্যুতিক সংকেতের সাহায্যেই অধিকাংশ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সামরিক সরঞ্জামের সিস্টেম বা সামরিক কর্মকর্তাদের কথোপকথন ইত্যাদি থেকে বৈদ্যুতিক সংকেতের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এসব তথ্য সংগ্রহ করেই তাৎক্ষণিকভাবে বেইজিংয়ে পাঠানো হয়েছে।
গার্ডিয়ান জানায়, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে শনাক্ত হওয়া চীনা বেলুনটি আকারে তিনটি স্কুলবাসের সমান। তখনোই সেটাকে গোয়েন্দা নজরদারি বেলুন বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু চীনের দাবি ছিল, না এটা গোয়েন্দা বেলুন নয়। বেসামরিক গবেষণার উদ্দেশ্যেই বেলুনটি ওই অঞ্চলে ছাড়া হয়েছিল। বেলুনটির যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় প্রবেশের কথা ছিল না। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গতিপথ পরিবর্তন করে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে প্রবেশ করে।
সূত্র : গার্ডিয়ান