প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৩ ১৩:০৩ পিএম
আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৩ ১৪:২৫ পিএম
রেম নৌঘাঁটিতে অবস্থান করছেন কম্বোডিয়া নৌবাহিনীর সদস্যরা। ছবি : সংগৃহীত
কম্বোডিয়ার জলসীমায় তাদের প্রথম যৌথ নৌ মহড়া শুরু করেছে চীন ও কম্বোডিয়া। চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই মহড়ার শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘চীন-কম্বোডিয়া গোল্ডেন ড্রাগন ২০২৩।’
রবিবারের (১৯ মার্চ) ওই মহড়ায় পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) দক্ষিণ সামরিক কমান্ডের নৌসেনারা যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
চীনের রাষ্ট্রচালিত বার্তা সংস্থা গ্লোবাল টাইমস সোমবার (২০ মার্চ) জানিয়েছে, চীনা নৌবাহিনীর পিএলএ কমান্ডের জাহাজ জিংগাংশান ও রয়্যাল কম্বোডিয়ান নৌবাহিনীর দুটি টহল জাহাজসহ আরও অনেক সামরিক নৌযান ওই মহড়ায় অংশ নিয়েছে।
জিংগাংশান হলো একটি টাইপ ০৭১ ল্যান্ডিং জাহাজ, যেটি মহড়ায় অংশ নিতে দক্ষিণ চীনের ঝানজিয়াং থেকে কম্বোডিয়ায় পৌঁছে।
জিংগাংশানের কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন জু জিনফেং চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনকে (সিসিটিভি) বলেছেন, ‘কম্বোডিয়ার নৌবাহিনীর সঙ্গে দুই ঘণ্টার নেভিগেশন ও যোগাযোগ মহড়ায় আমাদের সংস্থা এবং কমান্ড সুনির্দিষ্ট ছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ দারুণ ছিল।’
চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার তথ্যানুসারে, ওই গোল্ডেন ড্রাগন মহড়া ৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এবং এতে উভয় পক্ষের ৩ হাজারের বেশি নৌসেনা ও নৌবাহিনীর ৩০০ ধরনের যান অংশ নেবে।
চীনের সঙ্গে কম্বোডিয়ার গভীর সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
২০২২ সালে এ দুই দেশ থাইল্যান্ডের উপসাগরে কম্বোডিয়ার রিম নৌঘাঁটি পুনর্গঠন করার জন্য চীনা অর্থায়নে একটি দুই বছরের প্রকল্পে সম্মত হয়েছিল। নমপেন তখনই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দিয়ে আংশিকভাবে নির্মিত অবকাঠামোগুলো ভেঙে দিয়েছিল।
ফিলিপাইন গত মাসে চীনকে ‘আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিল।
কারণ দক্ষিণ চীন সাগরের চীনা কোস্টগার্ড ফিলিপাইনের একটি জাহাজকে আটকানোর চেষ্টা করার জন্য একটি ‘সামরিক-গ্রেড লেজার’ ব্যবহার করেছিল।
সূত্র : আলজাজিরা