প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৩ ২২:২৯ পিএম
আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৩ ২২:৩০ পিএম
তেহরানের রাস্তায় ইরানি নারীরা। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি। ছবি: সংগৃহীত
ইরান সরকারের বেঁধে দেওয়া পোশাক বিধি লঙ্ঘন করলে নারীদের শাস্তি পেতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনী এজেই। হিজাব ইস্যুতে কয়েক মাস আন্দোলনের পর এমন ঘোষণা ক্ষোভ উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা ইরনা নিউজ এজেন্সির বরাতে রয়টার্স জানায়, এজেই বলেছেন, ‘হিজাব সরানো বা না পরার অর্থ ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করা। আমাদের মূল্যবোধকে হেয় করা। যারা এ ধরনের কাজ করবে তাদের শাস্তি পেতে হবে।’
‘যারা হিজাব পরবে না তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য বিচার ও নির্বাহী বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য যাবতীয় উপায় ব্যবহার করেবে কর্তৃপক্ষ।’
ইরানে গত ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ হেফাজতে মাহসা আমিনি নামের এক তরুণীর মৃত্যু হয়। যথাযথভাবে হিজাব না পরার অভিযোগে রাজধানী তেহরান থেকে আমিনিকে গ্রেপ্তার করে দেশটির তথাকথিত ‘নৈতিকতা’ পুলিশ। গ্রেপ্তারের তিনদিন পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
কুর্দি নারী আমিনির মৃত্যুতে দেশটির সবকটি তথা ৩১টি প্রদেশে কয়েক মাস বিক্ষোভ হয়। কঠিন হাতে বিক্ষোভ দমন করে সরকার। সরকারী বাহিনীর গুলিতে কয়েক শত বিক্ষোভকারী নিহত হয়। আহত হয় কয়েক হাজার। গ্রেপ্তার করা হয় আরও কয়েক হাজার।
সূত্র: এএফপি