মেয়েদের স্কুলে বিষপ্রয়োগ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৩ ১৭:৩৬ পিএম
আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৩ ১৮:১০ পিএম
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের মেয়েদের স্কুলে বিষপ্রয়োগের সম্প্রতি নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের ক্ষমা করা হবে না। এমনকি তাদের ফাঁসিও হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
ইরানি রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের বরাতে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের বিষপ্রয়োগের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বসহকারে নিতে হবে। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে এমনটি প্রমাণিত হলে অপরাধীদের ক্ষমা করা হবে না। প্রয়োজনে তাদের ফাঁসি দেওয়া হবে।
গত নভেম্বরে ইরানে সিয়াদের পবিত্র শহর কওমে নারীদের দু-একটি স্কুলে সর্বপ্রথম বিষপ্রয়োগের ঘটনা ঘটে। এতে মেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
একই ঘটনা দ্রুত অন্য শহরেও ঘটতে থাকে। ইতোমধ্যে দেশটির ৩১ প্রদেশের ২৫টি একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এক হাজারের বেশি মেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছে।
এতে অভিভাবকের সম্প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনি নামের এক কুর্দি তরুণীর মৃত্যু হয়। যথাযথভাবে হিজাব না পরার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর কয়েক মাস পুরো ইরান উত্তাল থাকে। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই মেয়েদের স্কুলে বিষপ্রয়োগের ঘটনা ঘটছে।
তাই অনেকের ধারণা মেয়েদের ভয় দেখাতেই কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে মেয়েদের স্কুলে বিষপ্রয়োগ করছে। কারণ ২০১৪ সালে দেশটির শহর ইস্পাহানে মেয়েদের ওপর টানা অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল। তা সরকার করেছে বলে দাবি করেন সরকার বিরোধীরা। মেয়েদের ভয় দেখাতেই তা করা হয়েছিল।
সূত্র : রয়টার্স